মেজবাউর রহমান সুমন পরিচালিত বহুল আলোচিত চলচ্চিত্র ‘রইদ’ এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে। উত্তর আমেরিকায় ছবিটির পরিবেশক বায়োস্কোপ ফিল্মস জানিয়েছে, প্রথম কোনো বাংলাদেশি সিনেমা হিসেবে ‘রইদ’ আমেরিকার বিখ্যাত ব্রডকাস্ট নেটওয়ার্ক এনপিআর-এর (ন্যাশনাল পাবলিক রেডিও) মাধ্যমে তাদের প্রায় এক হাজারটি স্টেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে পর্যালোচনার জন্য নির্বাচিত হয়েছে।
বিশ্ব চলচ্চিত্রের মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার অস্কার কিংবা বাফটার মতো আসরগুলোতে মনোনয়নের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আলোচনা ও পর্যালোচনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বায়োস্কোপ ফিল্মস তাদের ৫৫তম পরিবেশনা হিসেবে এ বছর আমেরিকা ও কানাডার বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে ‘রইদ’ মুক্তি দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি প্রতিবছরই তাদের পরিবেশিত একটি চলচ্চিত্রকে অস্কারের দৌড়ে শামিল করার জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে থাকে।
এনপিআর আমেরিকার একটি প্রভাবশালী জাতীয় রেডিও প্ল্যাটফর্ম, যেখানে স্টিভেন স্পিলবার্গের মতো বিশ্বখ্যাত নির্মাতাদের কাজ নিয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়। সাধারণত চলচ্চিত্রের বিষয়বস্তু এবং প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে তারা নির্দিষ্ট ছবিকে তাদের রিভিউ সেকশনে স্থান দেয়। ‘রইদ’ সিনেমার ক্ষেত্রেও তারা পরিবেশকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রাথমিক ড্রাফট সংগ্রহ করে এবং গুণমান যাচাই শেষে পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
পরিবেশক সংস্থা বায়োস্কোপ ফিল্মসের কর্ণধার রাজ হামিদ এই অর্জনকে বাংলা চলচ্চিত্রের জন্য বড় সাফল্য হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, বাংলা সিনেমাকে বিশ্বদরবারে প্রতিষ্ঠিত করার পথটি চ্যালেঞ্জিং হলেও অসম্ভব নয়। অন্যদিকে, নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমন তার প্রতিক্রিয়ায় জানান, নিজের ভালোবাসা থেকে তৈরি করা সিনেমাটি যখন আমেরিকার জাতীয় রেডিওর মতো বড় প্ল্যাটফর্মে আলোচিত হয়, তখন একজন নির্মাতা হিসেবে তা অত্যন্ত আনন্দের ও গৌরবের বিষয়।
রিপোর্টারের নাম 
























