ঢাকা ০৪:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

কেনিয়ার শিক্ষাব্যবস্থায় মাতৃভাষার প্রভাব: লোনা চেপকেমোইয়ের বদলে যাওয়া জীবনের গল্প

কেনিয়ার শিক্ষাব্যবস্থায় দীর্ঘদিনের ভাষার টানাপোড়েন কাটিয়ে মাতৃভাষায় পাঠদানের সুফল পেতে শুরু করেছেন শিক্ষার্থীরা। লোনা চেপকেমোই নামের এক শিক্ষার্থীর অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, ইংরেজি বা অন্য কোনো বিদেশি ভাষার বদলে নিজের ভাষায় পাঠদান কীভাবে একজন শিক্ষার্থীর মেধা বিকাশে সহায়ক হতে পারে। ২০০৮ সালে প্রাথমিক শিক্ষা শেষে আর্থিক সংকটে পড়া লোনা যখন পুনরায় কারিগরি শিক্ষায় ভর্তি হন, তখন তিনি নিজের মাতৃভাষা ‘কালেনজিন’-এ পাঠদানের সুযোগ পান। এতে পড়াশোনার বিষয়গুলো তার কাছে অনেক সহজ ও বোধগম্য হয়ে ওঠে।

ইউনেস্কোর গ্লোবাল এডুকেশন মনিটরিং রিপোর্টের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের প্রায় ৪০ শতাংশ শিশু এমন ভাষায় শিক্ষা পায় না যা তারা সহজে বুঝতে পারে। অনেক নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশে এই হার প্রায় ৯০ শতাংশ পর্যন্ত। আফ্রিকার অনেক দেশে এখনো ঔপনিবেশিক আমলের ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ বা পর্তুগিজ ভাষার আধিপত্য চললেও বর্তমানে বহুভাষিক শ্রেণিকক্ষের প্রয়োজনীয়তা ক্রমেই বাড়ছে। মাতৃভাষায় শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর পাশাপাশি ঝরে পড়ার হার কমাতেও কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এশিয়ার বৃহত্তম কর্ণফুলী পেপার মিল পরিদর্শনে বিভাগীয় কমিশনার, সচল করার তাগিদ

কেনিয়ার শিক্ষাব্যবস্থায় মাতৃভাষার প্রভাব: লোনা চেপকেমোইয়ের বদলে যাওয়া জীবনের গল্প

আপডেট সময় : ০২:৫৩:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

কেনিয়ার শিক্ষাব্যবস্থায় দীর্ঘদিনের ভাষার টানাপোড়েন কাটিয়ে মাতৃভাষায় পাঠদানের সুফল পেতে শুরু করেছেন শিক্ষার্থীরা। লোনা চেপকেমোই নামের এক শিক্ষার্থীর অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, ইংরেজি বা অন্য কোনো বিদেশি ভাষার বদলে নিজের ভাষায় পাঠদান কীভাবে একজন শিক্ষার্থীর মেধা বিকাশে সহায়ক হতে পারে। ২০০৮ সালে প্রাথমিক শিক্ষা শেষে আর্থিক সংকটে পড়া লোনা যখন পুনরায় কারিগরি শিক্ষায় ভর্তি হন, তখন তিনি নিজের মাতৃভাষা ‘কালেনজিন’-এ পাঠদানের সুযোগ পান। এতে পড়াশোনার বিষয়গুলো তার কাছে অনেক সহজ ও বোধগম্য হয়ে ওঠে।

ইউনেস্কোর গ্লোবাল এডুকেশন মনিটরিং রিপোর্টের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের প্রায় ৪০ শতাংশ শিশু এমন ভাষায় শিক্ষা পায় না যা তারা সহজে বুঝতে পারে। অনেক নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশে এই হার প্রায় ৯০ শতাংশ পর্যন্ত। আফ্রিকার অনেক দেশে এখনো ঔপনিবেশিক আমলের ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ বা পর্তুগিজ ভাষার আধিপত্য চললেও বর্তমানে বহুভাষিক শ্রেণিকক্ষের প্রয়োজনীয়তা ক্রমেই বাড়ছে। মাতৃভাষায় শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর পাশাপাশি ঝরে পড়ার হার কমাতেও কার্যকর ভূমিকা রাখছে।