ঢাকা ০২:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

ভবিষ্যৎ মহামারি রুখতে ‘মাস্টার কি’ টিকা প্রযুক্তি উদ্ভাবন করলেন গবেষকরা

কোভিড-১৯, সার্স কিংবা ইবোলার মতো প্রাণঘাতী ভাইরাসগুলোর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এক বৈপ্লবিক প্রযুক্তির সন্ধান পেয়েছেন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর সহায়তায় তারা এমন এক নতুন টিকা প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন, যা ভাইরাসের পুরো একটি পরিবারের বিরুদ্ধে শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সক্ষম। এই উদ্ভাবন ভবিষ্যতের যেকোনো সম্ভাব্য মহামারি মোকাবিলায় গেম-চেঞ্জার হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গবেষক দলের প্রধান অধ্যাপক জোনাথন হিনি এই প্রযুক্তিকে একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনের ‘মাস্টার কি’-এর সাথে তুলনা করেছেন। তিনি জানান, বর্তমানের প্রচলিত টিকাগুলো সাধারণত ভাইরাসের অতীতের কোনো নির্দিষ্ট ধরণকে লক্ষ্য করে তৈরি করা হয়। ফলে ভাইরাস রূপ পরিবর্তন করলে টিকার কার্যকারিতা কমে যায়। কিন্তু তাদের উদ্ভাবিত এই নতুন প্রযুক্তিটি ভাইরাসের সবকটি রূপকে চিনতে পারবে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সব ধরণের পরিস্থিতিতে সুরক্ষা দিতে প্রস্তুত করবে।

এই গবেষণার ধারণাটি মূলত ২০১৩ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে পশ্চিম আফ্রিকায় হওয়া ইবোলা প্রাদুর্ভাবের অভিজ্ঞতা থেকে এসেছে। বিজ্ঞানীরা লক্ষ্য করেছেন, নতুন কোনো ভাইরাস শনাক্ত করে টিকা তৈরি করতে যে সময় লাগে, তার মধ্যেই সেটি ব্যাপক প্রাণহানি ঘটায়। নতুন এই সর্বজনীন টিকা প্রযুক্তি সেই সময়ের ব্যবধান কমিয়ে আনবে এবং যেকোনো নতুন ভাইরাসের আক্রমণ থেকে মানবজাতিকে দ্রুত সুরক্ষা দিতে সক্ষম হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গোল উৎসবে নিউজিল্যান্ডকে উড়িয়ে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে বেলজিয়াম

ভবিষ্যৎ মহামারি রুখতে ‘মাস্টার কি’ টিকা প্রযুক্তি উদ্ভাবন করলেন গবেষকরা

আপডেট সময় : ১২:২২:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

কোভিড-১৯, সার্স কিংবা ইবোলার মতো প্রাণঘাতী ভাইরাসগুলোর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এক বৈপ্লবিক প্রযুক্তির সন্ধান পেয়েছেন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর সহায়তায় তারা এমন এক নতুন টিকা প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন, যা ভাইরাসের পুরো একটি পরিবারের বিরুদ্ধে শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সক্ষম। এই উদ্ভাবন ভবিষ্যতের যেকোনো সম্ভাব্য মহামারি মোকাবিলায় গেম-চেঞ্জার হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গবেষক দলের প্রধান অধ্যাপক জোনাথন হিনি এই প্রযুক্তিকে একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনের ‘মাস্টার কি’-এর সাথে তুলনা করেছেন। তিনি জানান, বর্তমানের প্রচলিত টিকাগুলো সাধারণত ভাইরাসের অতীতের কোনো নির্দিষ্ট ধরণকে লক্ষ্য করে তৈরি করা হয়। ফলে ভাইরাস রূপ পরিবর্তন করলে টিকার কার্যকারিতা কমে যায়। কিন্তু তাদের উদ্ভাবিত এই নতুন প্রযুক্তিটি ভাইরাসের সবকটি রূপকে চিনতে পারবে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সব ধরণের পরিস্থিতিতে সুরক্ষা দিতে প্রস্তুত করবে।

এই গবেষণার ধারণাটি মূলত ২০১৩ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে পশ্চিম আফ্রিকায় হওয়া ইবোলা প্রাদুর্ভাবের অভিজ্ঞতা থেকে এসেছে। বিজ্ঞানীরা লক্ষ্য করেছেন, নতুন কোনো ভাইরাস শনাক্ত করে টিকা তৈরি করতে যে সময় লাগে, তার মধ্যেই সেটি ব্যাপক প্রাণহানি ঘটায়। নতুন এই সর্বজনীন টিকা প্রযুক্তি সেই সময়ের ব্যবধান কমিয়ে আনবে এবং যেকোনো নতুন ভাইরাসের আক্রমণ থেকে মানবজাতিকে দ্রুত সুরক্ষা দিতে সক্ষম হবে।