ঢাকা ০৮:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

দেশে হাম ও উপসর্গে মৃত্যু ৭০০ ছাড়াল, গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ হারিয়েছে ৪ শিশু

সারা দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সারা দেশে মোট ৭০২ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৯৩ জনের মৃত্যু নিশ্চিতভাবে হামের কারণে হয়েছে এবং বাকি ৬০৯ জন হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু এবং ৯৭৬ জন আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

অধিদপ্তরের তথ্যমতে, উল্লিখিত সময়ের মধ্যে সারা দেশে ১১ হাজার ৫৪৯ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছেন। এ ছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন প্রায় ৯৭ হাজার ৫২২ জন। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ঢাকা বিভাগে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি। এই বিভাগে এখন পর্যন্ত ৩১৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং আক্রান্ত হয়েছেন ৫২ হাজার ৫৫৩ জন।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এই পরিস্থিতিকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে অভিহিত করেছেন। অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত এই তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। শিশুদের সুরক্ষায় দ্রুত টিকাদান নিশ্চিত করা এবং উপসর্গ দেখা দিলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বকশীগঞ্জে ঘর থেকে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

দেশে হাম ও উপসর্গে মৃত্যু ৭০০ ছাড়াল, গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ হারিয়েছে ৪ শিশু

আপডেট সময় : ০৭:২২:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

সারা দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সারা দেশে মোট ৭০২ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৯৩ জনের মৃত্যু নিশ্চিতভাবে হামের কারণে হয়েছে এবং বাকি ৬০৯ জন হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু এবং ৯৭৬ জন আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

অধিদপ্তরের তথ্যমতে, উল্লিখিত সময়ের মধ্যে সারা দেশে ১১ হাজার ৫৪৯ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছেন। এ ছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন প্রায় ৯৭ হাজার ৫২২ জন। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ঢাকা বিভাগে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি। এই বিভাগে এখন পর্যন্ত ৩১৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং আক্রান্ত হয়েছেন ৫২ হাজার ৫৫৩ জন।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এই পরিস্থিতিকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে অভিহিত করেছেন। অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত এই তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। শিশুদের সুরক্ষায় দ্রুত টিকাদান নিশ্চিত করা এবং উপসর্গ দেখা দিলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।