ঢাকা ০২:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর সফল মালয়েশিয়া ও চীন সফর: সংসদে সর্বসম্মত ধন্যবাদ প্রস্তাব গ্রহণ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফরকে অত্যন্ত সফল ও অর্থবহ হিসেবে আখ্যায়িত করে জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে ধন্যবাদ প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে। শনিবার স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বাজেট অধিবেশনের শুরুতে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই প্রস্তাব উত্থাপন করেন। প্রস্তাবটির ওপর সমর্থন জানিয়ে বক্তব্য রাখেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

আলোচনায় অংশ নিয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র চার মাসের মাথায় প্রধানমন্ত্রীর এই সফর বাংলাদেশের জন্য বড় ধরনের কূটনৈতিক সাফল্য বয়ে এনেছে। বিশেষ করে চীনের সঙ্গে ১৭টি সমঝোতা স্মারক সই হওয়া এবং দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হওয়া দেশের অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিবর্তন এনেছেন এবং বিদেশে সফর শেষে আড়ম্বরপূর্ণ সংবর্ধনা গ্রহণের প্রথা বন্ধ করেছেন।

ধন্যবাদ প্রস্তাবটি সংসদে উত্থাপনের পর কণ্ঠভোটে তা পাস হয়। এ সময় সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়িয়ে এই কূটনৈতিক সাফল্যকে স্বাগত জানান। বক্তারা বলেন, এই সফরের মাধ্যমে মালয়েশিয়া ও চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গোল উৎসবে নিউজিল্যান্ডকে উড়িয়ে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে বেলজিয়াম

প্রধানমন্ত্রীর সফল মালয়েশিয়া ও চীন সফর: সংসদে সর্বসম্মত ধন্যবাদ প্রস্তাব গ্রহণ

আপডেট সময় : ১২:১৮:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফরকে অত্যন্ত সফল ও অর্থবহ হিসেবে আখ্যায়িত করে জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে ধন্যবাদ প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে। শনিবার স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বাজেট অধিবেশনের শুরুতে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই প্রস্তাব উত্থাপন করেন। প্রস্তাবটির ওপর সমর্থন জানিয়ে বক্তব্য রাখেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

আলোচনায় অংশ নিয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র চার মাসের মাথায় প্রধানমন্ত্রীর এই সফর বাংলাদেশের জন্য বড় ধরনের কূটনৈতিক সাফল্য বয়ে এনেছে। বিশেষ করে চীনের সঙ্গে ১৭টি সমঝোতা স্মারক সই হওয়া এবং দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হওয়া দেশের অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিবর্তন এনেছেন এবং বিদেশে সফর শেষে আড়ম্বরপূর্ণ সংবর্ধনা গ্রহণের প্রথা বন্ধ করেছেন।

ধন্যবাদ প্রস্তাবটি সংসদে উত্থাপনের পর কণ্ঠভোটে তা পাস হয়। এ সময় সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়িয়ে এই কূটনৈতিক সাফল্যকে স্বাগত জানান। বক্তারা বলেন, এই সফরের মাধ্যমে মালয়েশিয়া ও চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।