ঢাকা ০৩:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

বিশ্বকাপ স্বপ্ন ফিকে ইরানের: পেনাল্টি মিস, বাতিল গোল ও দুর্ভাগ্যে হতাশাজনক ড্র

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে পৌঁছানোর সুযোগ হাতছাড়া করেছে ইরান। মিশরকে হারাতে পারলেই প্রথমবারের মতো গ্রুপ পর্বের গণ্ডি পেরোনোর ইতিহাস গড়তে পারত তারা, কিন্তু পেনাল্টি মিস, ভিএআরের সিদ্ধান্তে গোল বাতিল এবং শেষ মুহূর্তের চরম দুর্ভাগ্যে ১-১ গোলে ড্র করে তাদের ভাগ্য এখন অন্য গ্রুপের ফলাফলের ওপর নির্ভরশীল।

সিয়াটলে অনুষ্ঠিত ‘জি’ গ্রুপের এই ম্যাচে শুরুতেই ধাক্কা খায় ইরান। ম্যাচের মাত্র পঞ্চম মিনিটে মোহাম্মদ সালাহর শট গোলরক্ষক বেইরানভান্দ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিতে না পারায় ফিরতি বলে হাসান সহজেই মিশরকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। তবে দ্রুত সমতায় ফেরার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল ইরান। ১১তম মিনিটে মেহদি তারেমি পেনাল্টি পেলেও তার ডান কোণে নেওয়া শট দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন মিশরের গোলরক্ষক মোহাম্মদ এল-শেনাওয়ি, যা ইরানের শিবিরে হতাশা বাড়ায়।

অবশ্য সেই হতাশা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ১৪তম মিনিটে মোহাম্মদির দূরপাল্লার শট গোলরক্ষক ঠেকালেও ফিরতি বলে রেজাইয়ান জালে বল পাঠিয়ে ম্যাচে সমতা ফেরান। পুরো ম্যাচে মাত্র ৩৮ শতাংশ বল দখলে রেখেও আক্রমণে বেশি কার্যকর ছিল ইরান। শেষ দিকে জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে তারা। ৮৯তম মিনিটে কর্নার থেকে তারেমির শক্তিশালী হেড ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। ইনজুরি সময়ে খলিলজাদেহ বল জালে পাঠালেও ভিএআরে অফসাইড ধরা পড়ায় গোল বাতিল করে দেন রেফারি। শেষ বাঁশি বাজার ঠিক আগে আরেকটি কর্নার থেকে এজাতোলাহির প্রচেষ্টা পোস্টে লেগে ফিরে এলে হতাশাই সঙ্গী হয় ইরানের।

এই ড্রয়ে তিন ম্যাচ থেকে একটি করে পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ পর্ব শেষ করেছে ইরান, তাদের সংগ্রহ তিন পয়েন্ট। অন্যদিকে, মিশর চার পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে গ্রুপের রানার্সআপ হিসেবে নকআউট নিশ্চিত করেছে। একই গ্রুপে নিউজিল্যান্ডকে ৫-১ গোলে হারিয়ে সাত পয়েন্ট নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বেলজিয়াম। এখন শেষ ৩২-এ জায়গা করে নিতে হলে তৃতীয় সেরা দলগুলোর হিসাবের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে ইরানকে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে এনটিসি পরিচালকের মতবিনিময়: চা-শিল্পের সংকট নিরসনে জোর

বিশ্বকাপ স্বপ্ন ফিকে ইরানের: পেনাল্টি মিস, বাতিল গোল ও দুর্ভাগ্যে হতাশাজনক ড্র

আপডেট সময় : ০১:৩০:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে পৌঁছানোর সুযোগ হাতছাড়া করেছে ইরান। মিশরকে হারাতে পারলেই প্রথমবারের মতো গ্রুপ পর্বের গণ্ডি পেরোনোর ইতিহাস গড়তে পারত তারা, কিন্তু পেনাল্টি মিস, ভিএআরের সিদ্ধান্তে গোল বাতিল এবং শেষ মুহূর্তের চরম দুর্ভাগ্যে ১-১ গোলে ড্র করে তাদের ভাগ্য এখন অন্য গ্রুপের ফলাফলের ওপর নির্ভরশীল।

সিয়াটলে অনুষ্ঠিত ‘জি’ গ্রুপের এই ম্যাচে শুরুতেই ধাক্কা খায় ইরান। ম্যাচের মাত্র পঞ্চম মিনিটে মোহাম্মদ সালাহর শট গোলরক্ষক বেইরানভান্দ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিতে না পারায় ফিরতি বলে হাসান সহজেই মিশরকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। তবে দ্রুত সমতায় ফেরার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল ইরান। ১১তম মিনিটে মেহদি তারেমি পেনাল্টি পেলেও তার ডান কোণে নেওয়া শট দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন মিশরের গোলরক্ষক মোহাম্মদ এল-শেনাওয়ি, যা ইরানের শিবিরে হতাশা বাড়ায়।

অবশ্য সেই হতাশা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ১৪তম মিনিটে মোহাম্মদির দূরপাল্লার শট গোলরক্ষক ঠেকালেও ফিরতি বলে রেজাইয়ান জালে বল পাঠিয়ে ম্যাচে সমতা ফেরান। পুরো ম্যাচে মাত্র ৩৮ শতাংশ বল দখলে রেখেও আক্রমণে বেশি কার্যকর ছিল ইরান। শেষ দিকে জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে তারা। ৮৯তম মিনিটে কর্নার থেকে তারেমির শক্তিশালী হেড ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। ইনজুরি সময়ে খলিলজাদেহ বল জালে পাঠালেও ভিএআরে অফসাইড ধরা পড়ায় গোল বাতিল করে দেন রেফারি। শেষ বাঁশি বাজার ঠিক আগে আরেকটি কর্নার থেকে এজাতোলাহির প্রচেষ্টা পোস্টে লেগে ফিরে এলে হতাশাই সঙ্গী হয় ইরানের।

এই ড্রয়ে তিন ম্যাচ থেকে একটি করে পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ পর্ব শেষ করেছে ইরান, তাদের সংগ্রহ তিন পয়েন্ট। অন্যদিকে, মিশর চার পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে গ্রুপের রানার্সআপ হিসেবে নকআউট নিশ্চিত করেছে। একই গ্রুপে নিউজিল্যান্ডকে ৫-১ গোলে হারিয়ে সাত পয়েন্ট নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বেলজিয়াম। এখন শেষ ৩২-এ জায়গা করে নিতে হলে তৃতীয় সেরা দলগুলোর হিসাবের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে ইরানকে।