প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতার মালয়েশিয়া ও চীন সফর বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল এবং এই সফরে দুই দেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী। সরকার গঠনের চার মাসের মাথায় এই সফর অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে সফলতার সঙ্গে অনেকগুলো চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে। শনিবার স্পিকারের সভাপতিত্বে শুরু হওয়া বাজেট অধিবেশনের শুরুতেই ওই সফরের বিষয়ে ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে মালয়েশিয়া এবং চীনের সঙ্গে দুই দেশের পারস্পরিক মর্যাদার ভিত্তিতে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী দৃঢ়ভাবে জনগণের কল্যাণের জন্য কাজ করছেন এবং পুরোনো প্রথা বাদ দিয়ে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। উদাহরণস্বরূপ, পূর্বে প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর শেষে বড় ধরনের সংবর্ধনার ব্যবস্থা করা হলেও, তিনি নিজেই উদ্যোগ নিয়ে তা বন্ধ করে দিয়েছেন।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে ১৭টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সব প্রেসিডেন্ট দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেছেন, যা অত্যন্ত হৃদ্যতার সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে মালয়েশিয়া ও চীনের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে তারা তাদের ভূমিকা অক্ষুণ্ন রাখবেন, বরং তা আরও বাড়াবেন। বিভিন্ন সমস্যা সমাধানেও তারা চেষ্টা করবেন, এমনকি রোহিঙ্গা সমস্যার ব্যাপারেও সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণের কথা জানিয়েছেন। সফল এই সফরের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতভাবে ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত হয়।
রিপোর্টারের নাম 
























