ঢাকা ০১:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

লিবিয়া থেকে আজ দেশে ফিরছেন ৩০৯ জন বাংলাদেশি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১০:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫
  • ৩০ বার পড়া হয়েছে

লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপলী থেকে ৩০৯ জন বাংলাদেশি আজ শুক্রবার (১০ অক্টোবর) দেশের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। আশা করা হচ্ছে, এই বাংলাদেশিরা বেলা ১১টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছাবেন।

লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে যেতে ইচ্ছুক এই ৩০৯ জন বাংলাদেশি নাগরিককে ৯ অক্টোবর প্রত্যাবাসন করা হয়েছে। ফ্লাই ওইয়া এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে করে প্রত্যাবাসিত এসব অভিবাসী আনুমানিক ১০ অক্টোবর বেলা ১১টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ও মিনিস্টার (পলিটিক্যাল) কাজী আসিফ আহমেদ দূতাবাস প্রাঙ্গণে প্রত্যাবাসিত অভিবাসীদের বিদায় জানান। এ সময় দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) মো. রাসেল মিয়া এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স অভিবাসীদের আশ্বস্ত করে বলেন যে, তাদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করার জন্য দূতাবাস দিনরাত কঠোর পরিশ্রম করেছে। তিনি আরও জানান, দূতাবাসের নিরলস চেষ্টা এবং লিবিয়া সরকারের সহযোগিতার কারণেই প্রথমবারের মতো এত বড় পরিসরে প্রত্যাবাসন সম্ভব হলো। তিনি এও জানান যে, দূতাবাস আরও দ্রুত সময়ের মধ্যে অতিরিক্ত দুটি ফ্লাইটের মাধ্যমে ছয় শতাধিক অভিবাসীকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য লিবিয়া সরকারের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে।

প্রত্যাবাসন চলাকালীন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স লিবিয়া সরকারের মিডিয়া টিমের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান, স্বেচ্ছায় দেশে ফেরার জন্য নিবন্ধিত অভিবাসীদের প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে দূতাবাস লিবিয়ার জাতীয় ঐক্যমতের সরকারের বিশেষ করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে। তিনি বাংলাদেশের নাগরিকদের নিরাপদ ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে লিবিয়া সরকারের সার্বিক সহযোগিতা ও সহায়তার জন্য আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, দেশে ফিরে আসার জন্য এই বাংলাদেশি নাগরিকেরা আগেই দূতাবাসে স্বেচ্ছায় আবেদন করেছিলেন। এরপর দূতাবাস লিবিয়া সরকারের সহযোগিতায় তাদের প্রত্যাবাসনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে শুরু করে। অভিবাসীদের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরি, স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বহির্গমন ছাড়পত্র সংগ্রহসহ সমস্ত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া দূতাবাস সম্পন্ন করেছে। এই পুরো প্রক্রিয়ায় দূতাবাস লিবিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত ও ঘনিষ্ঠভাবে যোগাযোগ রেখেছে।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাবদ্ধতায় সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলে ধান কাটা নিয়ে কৃষকদের অনিশ্চয়তা

লিবিয়া থেকে আজ দেশে ফিরছেন ৩০৯ জন বাংলাদেশি

আপডেট সময় : ১০:১০:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫

লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপলী থেকে ৩০৯ জন বাংলাদেশি আজ শুক্রবার (১০ অক্টোবর) দেশের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। আশা করা হচ্ছে, এই বাংলাদেশিরা বেলা ১১টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছাবেন।

লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে যেতে ইচ্ছুক এই ৩০৯ জন বাংলাদেশি নাগরিককে ৯ অক্টোবর প্রত্যাবাসন করা হয়েছে। ফ্লাই ওইয়া এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে করে প্রত্যাবাসিত এসব অভিবাসী আনুমানিক ১০ অক্টোবর বেলা ১১টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ও মিনিস্টার (পলিটিক্যাল) কাজী আসিফ আহমেদ দূতাবাস প্রাঙ্গণে প্রত্যাবাসিত অভিবাসীদের বিদায় জানান। এ সময় দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) মো. রাসেল মিয়া এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স অভিবাসীদের আশ্বস্ত করে বলেন যে, তাদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করার জন্য দূতাবাস দিনরাত কঠোর পরিশ্রম করেছে। তিনি আরও জানান, দূতাবাসের নিরলস চেষ্টা এবং লিবিয়া সরকারের সহযোগিতার কারণেই প্রথমবারের মতো এত বড় পরিসরে প্রত্যাবাসন সম্ভব হলো। তিনি এও জানান যে, দূতাবাস আরও দ্রুত সময়ের মধ্যে অতিরিক্ত দুটি ফ্লাইটের মাধ্যমে ছয় শতাধিক অভিবাসীকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য লিবিয়া সরকারের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে।

প্রত্যাবাসন চলাকালীন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স লিবিয়া সরকারের মিডিয়া টিমের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান, স্বেচ্ছায় দেশে ফেরার জন্য নিবন্ধিত অভিবাসীদের প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে দূতাবাস লিবিয়ার জাতীয় ঐক্যমতের সরকারের বিশেষ করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে। তিনি বাংলাদেশের নাগরিকদের নিরাপদ ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে লিবিয়া সরকারের সার্বিক সহযোগিতা ও সহায়তার জন্য আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, দেশে ফিরে আসার জন্য এই বাংলাদেশি নাগরিকেরা আগেই দূতাবাসে স্বেচ্ছায় আবেদন করেছিলেন। এরপর দূতাবাস লিবিয়া সরকারের সহযোগিতায় তাদের প্রত্যাবাসনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে শুরু করে। অভিবাসীদের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরি, স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বহির্গমন ছাড়পত্র সংগ্রহসহ সমস্ত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া দূতাবাস সম্পন্ন করেছে। এই পুরো প্রক্রিয়ায় দূতাবাস লিবিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত ও ঘনিষ্ঠভাবে যোগাযোগ রেখেছে।