পাকিস্তানের ইসলামাবাদে বহুল প্রতীক্ষিত ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই আকস্মিকভাবে শেষ হয়েছে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের দ্রুত পাকিস্তান ত্যাগ এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় বড় ধরনের অচলাবস্থা তৈরি করেছে। এখন এই আলোচনার ভবিষ্যৎ এবং মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের নজর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়ার দিকে।
আলোচনা পুনরায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সবাইকে অবাক করে দিয়ে জেডি ভ্যান্স সংবাদ সম্মেলনে চুক্তিতে পৌঁছাতে না পারার ঘোষণা দেন এবং এরপর তিনি সপরিবারে পাকিস্তান ত্যাগ করেন। এর পরপরই ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলটিও পাকিস্তান ত্যাগ করে।
আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে লেবাননে ইসরাইলি হামলা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অনীহাকে দেখা হচ্ছে। বৈরুতে ইসরাইলের নির্বিচার বোমা হামলায় শত শত মানুষের মৃত্যুর প্রেক্ষাপটে ইরান এই হামলা বন্ধের বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রেখেছিল। এছাড়া হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া শর্তগুলোকেও ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। এই পরিস্থিতিতে মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে, তবে আলোচনার বল এখন পুরোপুরি ওয়াশিংটনের কোর্টে।
রিপোর্টারের নাম 























