ঢাকা ০১:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

সীতাকুণ্ডে মসজিদের ইমামের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার: রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের জোড়ামতল এলাকায় একটি মসজিদের ইমামের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দিবাগত রাত প্রায় ১২টার দিকে জোড়ামতল বাংলাবাজার রাজা মিয়া সওদাগার জামে মসজিদের দোতলায় তার নিজ কক্ষ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

মৃত মাওলানা মোহাম্মদ আমির দীর্ঘদিন ধরে এই মসজিদটিতে মুয়াজ্জিন এবং ইমামতির দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায়।

স্থানীয় মুসল্লিদের ভাষ্যমতে, মাওলানা আমির তার ধর্মীয় দায়িত্ব পালনে অত্যন্ত আন্তরিক, বিনয়ী ও দায়িত্বশীল ছিলেন। তবে ঘটনার দিন মাগরিব ও এশার নামাজে তার অনুপস্থিতি এবং ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়ায় মুসল্লিদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। একপর্যায়ে মুসল্লিরা খোঁজাখুঁজি করে মসজিদের দোতলায় গিয়ে ফ্যানের হুকের সঙ্গে তার ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান। এরপর তাৎক্ষণিকভাবে সীতাকুণ্ড মডেল থানায় খবর দেওয়া হয়।

সোনাইছড়ি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নুরুদ্দিন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে এবং সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি হাতে লেখা চিরকুট, ব্যবহৃত মোবাইল ফোন এবং কিছু ব্যক্তিগত কাগজপত্র আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়েছে।

সীতাকুণ্ড মডেল থানার এসআই রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে গুরুত্বপূর্ণ আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষ হওয়ার আগে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রোনালদোর জোড়া গোল ও নতুন রেকর্ড: পর্তুগালের বিশাল জয়

সীতাকুণ্ডে মসজিদের ইমামের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার: রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু

আপডেট সময় : ১২:৩১:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের জোড়ামতল এলাকায় একটি মসজিদের ইমামের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দিবাগত রাত প্রায় ১২টার দিকে জোড়ামতল বাংলাবাজার রাজা মিয়া সওদাগার জামে মসজিদের দোতলায় তার নিজ কক্ষ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

মৃত মাওলানা মোহাম্মদ আমির দীর্ঘদিন ধরে এই মসজিদটিতে মুয়াজ্জিন এবং ইমামতির দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায়।

স্থানীয় মুসল্লিদের ভাষ্যমতে, মাওলানা আমির তার ধর্মীয় দায়িত্ব পালনে অত্যন্ত আন্তরিক, বিনয়ী ও দায়িত্বশীল ছিলেন। তবে ঘটনার দিন মাগরিব ও এশার নামাজে তার অনুপস্থিতি এবং ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়ায় মুসল্লিদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। একপর্যায়ে মুসল্লিরা খোঁজাখুঁজি করে মসজিদের দোতলায় গিয়ে ফ্যানের হুকের সঙ্গে তার ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান। এরপর তাৎক্ষণিকভাবে সীতাকুণ্ড মডেল থানায় খবর দেওয়া হয়।

সোনাইছড়ি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নুরুদ্দিন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে এবং সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি হাতে লেখা চিরকুট, ব্যবহৃত মোবাইল ফোন এবং কিছু ব্যক্তিগত কাগজপত্র আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়েছে।

সীতাকুণ্ড মডেল থানার এসআই রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে গুরুত্বপূর্ণ আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষ হওয়ার আগে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।