ঢাকা ০৩:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

তথ্য দিতে ঠিকাদারের অনুমতি চাইলেন প্রকৌশলী: শেরপুরে চাঞ্চল্যকর ঘটনা

শেরপুরের শ্রীবরদীতে সরকারি প্রকল্পের তথ্য প্রদানের ক্ষেত্রে এক অভিনব ও বিতর্কিত ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) এক উপসহকারী প্রকৌশলী সাংবাদিকদের তথ্য দেওয়ার আগে উপস্থিত এক ঠিকাদারের অনুমতি চেয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে, যা নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক সমালোচনা চলছে।

জানা গেছে, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় বাস্তবায়িত কিছু প্রকল্পের বিস্তারিত তথ্য ও এস্টিমেট জানতে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করতে যান স্থানীয় সংবাদকর্মীরা। এসময় উপসহকারী প্রকৌশলী মো. শাহ কামাল সাংবাদিকদের সামনেই জনৈক ঠিকাদারের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘উনারা এস্টিমেট চেয়ে আবেদন করতেছে, আপনাদের তো আপত্তি নাই?’ একজন সরকারি কর্মকর্তার এমন আচরণে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীরা বিস্মিত হন।

এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তথ্য অধিকার আইনে যেকোনো নাগরিক সরকারি কাজের তথ্য পাওয়ার অধিকার রাখেন এবং এক্ষেত্রে কোনো ঠিকাদারের অনুমতির প্রয়োজন নেই। এমন আচরণ প্রশাসনিক শিষ্টাচার ও বিধিবহির্ভূত। ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘পুলিশ আসবে না, নিশ্চিন্তে থাকুন’—বাংলাদেশির ভিডিও ঘিরে গ্রিক গণমাধ্যমে আলোচনা

তথ্য দিতে ঠিকাদারের অনুমতি চাইলেন প্রকৌশলী: শেরপুরে চাঞ্চল্যকর ঘটনা

আপডেট সময় : ০১:৪৪:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

শেরপুরের শ্রীবরদীতে সরকারি প্রকল্পের তথ্য প্রদানের ক্ষেত্রে এক অভিনব ও বিতর্কিত ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) এক উপসহকারী প্রকৌশলী সাংবাদিকদের তথ্য দেওয়ার আগে উপস্থিত এক ঠিকাদারের অনুমতি চেয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে, যা নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক সমালোচনা চলছে।

জানা গেছে, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় বাস্তবায়িত কিছু প্রকল্পের বিস্তারিত তথ্য ও এস্টিমেট জানতে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করতে যান স্থানীয় সংবাদকর্মীরা। এসময় উপসহকারী প্রকৌশলী মো. শাহ কামাল সাংবাদিকদের সামনেই জনৈক ঠিকাদারের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘উনারা এস্টিমেট চেয়ে আবেদন করতেছে, আপনাদের তো আপত্তি নাই?’ একজন সরকারি কর্মকর্তার এমন আচরণে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীরা বিস্মিত হন।

এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তথ্য অধিকার আইনে যেকোনো নাগরিক সরকারি কাজের তথ্য পাওয়ার অধিকার রাখেন এবং এক্ষেত্রে কোনো ঠিকাদারের অনুমতির প্রয়োজন নেই। এমন আচরণ প্রশাসনিক শিষ্টাচার ও বিধিবহির্ভূত। ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।