ঢাকা ০৩:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

দীর্ঘক্ষণ মোটরসাইকেল চালানোয় বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি: বিশেষজ্ঞের পরামর্শ

যানজটের শহর ঢাকায় যাতায়াতের জন্য মোটরসাইকেল এখন অনেকের কাছেই অপরিহার্য বাহন। সময় বাঁচাতে বাইকের জনপ্রিয়তা বাড়লেও দীর্ঘ সময় ধরে বাইক চালানো শরীরের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে যারা নিয়মিত দীর্ঘ পথ বাইক চালান, তাদের ঘাড়, কোমর এবং কবজিতে দীর্ঘমেয়াদী ব্যথার লক্ষণ দেখা দিচ্ছে। চিকিৎসকদের মতে, যত্রতত্র স্পিডব্রেকার ও রাস্তার গর্তের ঝাঁকুনি মেরুদণ্ডের ওপর সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘক্ষণ বাইক চালানোর ফলে সার্ভিক্যাল স্পন্ডিলোসিস বা ঘাড়ের হাড়ের সমস্যা এবং কোমরের ডিস্কের সমস্যা দেখা দিতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে হাতের স্নায়ুতে চাপের কারণে ঝিনঝিনে অনুভূতি বা কারপাল টানেল সিন্ড্রোম তৈরি হয়। বিশেষ করে স্পোর্টস বাইকের ক্ষেত্রে চালককে অতিরিক্ত সামনের দিকে ঝুঁকে বসতে হয়, যা শরীরের স্বাভাবিক ভারসাম্যের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। এক্ষেত্রে সোজা হয়ে বসা যায় এমন আরামদায়ক ও ভালো সাসপেনশনযুক্ত বাইক ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

স্বাস্থ্যঝুঁকির পাশাপাশি দুর্ঘটনার বিষয়টিও অত্যন্ত উদ্বেগের। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ড। মাথায় গুরুতর আঘাতের ফলে প্রাণহানি হতে পারে এবং মেরুদণ্ডের স্পাইনাল কর্ড ক্ষতিগ্রস্ত হলে স্থায়ী পক্ষাঘাত বা প্যারালাইসিসের ঝুঁকি থাকে। তাই বাইক চালানোর সময় মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার এবং নিয়মিত বিরতি নিয়ে শরীরকে বিশ্রাম দেওয়া জরুরি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘পুলিশ আসবে না, নিশ্চিন্তে থাকুন’—বাংলাদেশির ভিডিও ঘিরে গ্রিক গণমাধ্যমে আলোচনা

দীর্ঘক্ষণ মোটরসাইকেল চালানোয় বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি: বিশেষজ্ঞের পরামর্শ

আপডেট সময় : ০১:৪২:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

যানজটের শহর ঢাকায় যাতায়াতের জন্য মোটরসাইকেল এখন অনেকের কাছেই অপরিহার্য বাহন। সময় বাঁচাতে বাইকের জনপ্রিয়তা বাড়লেও দীর্ঘ সময় ধরে বাইক চালানো শরীরের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে যারা নিয়মিত দীর্ঘ পথ বাইক চালান, তাদের ঘাড়, কোমর এবং কবজিতে দীর্ঘমেয়াদী ব্যথার লক্ষণ দেখা দিচ্ছে। চিকিৎসকদের মতে, যত্রতত্র স্পিডব্রেকার ও রাস্তার গর্তের ঝাঁকুনি মেরুদণ্ডের ওপর সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘক্ষণ বাইক চালানোর ফলে সার্ভিক্যাল স্পন্ডিলোসিস বা ঘাড়ের হাড়ের সমস্যা এবং কোমরের ডিস্কের সমস্যা দেখা দিতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে হাতের স্নায়ুতে চাপের কারণে ঝিনঝিনে অনুভূতি বা কারপাল টানেল সিন্ড্রোম তৈরি হয়। বিশেষ করে স্পোর্টস বাইকের ক্ষেত্রে চালককে অতিরিক্ত সামনের দিকে ঝুঁকে বসতে হয়, যা শরীরের স্বাভাবিক ভারসাম্যের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। এক্ষেত্রে সোজা হয়ে বসা যায় এমন আরামদায়ক ও ভালো সাসপেনশনযুক্ত বাইক ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

স্বাস্থ্যঝুঁকির পাশাপাশি দুর্ঘটনার বিষয়টিও অত্যন্ত উদ্বেগের। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ড। মাথায় গুরুতর আঘাতের ফলে প্রাণহানি হতে পারে এবং মেরুদণ্ডের স্পাইনাল কর্ড ক্ষতিগ্রস্ত হলে স্থায়ী পক্ষাঘাত বা প্যারালাইসিসের ঝুঁকি থাকে। তাই বাইক চালানোর সময় মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার এবং নিয়মিত বিরতি নিয়ে শরীরকে বিশ্রাম দেওয়া জরুরি।