কার্ডিওজেনিক শক হৃদরোগের একটি অত্যন্ত জটিল ও জীবনঘাতী পর্যায়। যখন হৃদযন্ত্র হঠাৎ করে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় রক্ত পাম্প করতে ব্যর্থ হয়, তখনই এই অবস্থার সৃষ্টি হয়। সাধারণত ৩০ মিনিটের বেশি সময় ধরে সিস্টোলিক রক্তচাপ ৯০ মিমি পারদের নিচে থাকলে এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গে রক্ত সরবরাহের ঘাটতি দেখা দিলে একে কার্ডিওজেনিক শক বলা হয়। তীব্র হার্ট অ্যাটাকের ফলে হৃদপিণ্ডের পেশি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে এই পরিস্থিতি দেখা দেয়।
এই রোগের প্রধান লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে তীব্র অস্থিরতা, শ্বাসকষ্ট, হাত-পা নীলচে বা ফ্যাকাশে হয়ে আসা, দ্রুত হৃদস্পন্দন এবং প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া। বিশেষ করে যাদের আগে হার্ট অ্যাটাকের ইতিহাস আছে, বহু রক্তনালিতে ব্লক রয়েছে কিংবা যারা দীর্ঘকাল ধরে হার্ট ফেইলিউরের সমস্যায় ভুগছেন, তাদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি অনেক বেশি থাকে।
দ্রুত রোগ নির্ণয় ও সঠিক চিকিৎসা এই অবস্থায় জীবন বাঁচানোর একমাত্র উপায়। ইকোকার্ডিওগ্রাফি ও বিভিন্ন রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে হৃদযন্ত্রের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে দ্রুত অক্সিজেন সাপোর্ট, ভেন্টিলেশন বা প্রয়োজনে রিভাসকুলারাইজেশনের ব্যবস্থা করতে হয়। চিকিৎসকদের মতে, লক্ষণ দেখা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রোগীকে বিশেষায়িত হাসপাতালে স্থানান্তর করে চিকিৎসা শুরু করতে পারলে মৃত্যুর ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।
রিপোর্টারের নাম 

























