মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইসরাইলের নিরাপত্তা বিষয়ক নীতি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি মন্তব্য করেছেন যে, ইসরাইলের নিরাপত্তা সমস্যা কেবল হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে সমাধান করা সম্ভব নয়। সম্প্রতি ইরান-ইসরাইল যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর আগে, ইসরাইলি নেতারা ওয়াশিংটনের ওপর যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করছিলেন, যার পরিপ্রেক্ষিতে ভ্যান্স এই মন্তব্য করেন।
নিউইয়র্ক টাইমসে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স বলেন, ইসরাইলি নেতাদের প্রতি তার প্রশ্ন, ‘আপনাদের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবটি কী? আপনারা ৯০ লাখ মানুষের একটি দেশ। আপনারা আপনাদের প্রতিটি জাতীয় নিরাপত্তা সমস্যার সমাধান কেবল হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে করতে পারেন না।’ তিনি ইসরাইলকে আলোচনার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান এবং দীর্ঘদিনের অংশীদার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের অনুরোধ করেন।
দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলের সামরিক অভিযান ও দখলদারিত্বের কারণে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ অবসানের স্থায়ী চুক্তি বাধাগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইসরাইলের যুদ্ধের নিয়মকানুন নিয়ে সমালোচনা করেছেন এবং হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন। ট্রাম্প বলেন, ‘কাউকে খোঁজার জন্য প্রতিবার একটি পুরো অ্যাপার্টমেন্ট ভবন ধ্বংস করার প্রয়োজন নেই, কারণ সেখানে অনেক মানুষ থাকে এবং তারা সবাই হিজবুল্লাহ নয়।’
তবে, ভ্যান্স এই চুক্তির পক্ষে সাফাই গেয়ে একে মার্কিন জনগণের জন্য একটি ‘বিজয়’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তার মতে, এই চুক্তির মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হচ্ছে, ইরানি বন্দরের ওপর থেকে মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করা হচ্ছে এবং লেবাননসহ সব ফ্রন্টের লড়াই বন্ধের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। যদিও কিছু ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান নেতা মনে করছেন চুক্তিটি তেহরানের পক্ষে গেছে, ভ্যান্স দাবি করেন যে যুদ্ধ ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ও সামরিক শক্তিকে দুর্বল করেছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি করেছে।
রিপোর্টারের নাম 
























