ঢাকা ০৯:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনার সক্রিয় বিবেচনায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী

মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও টেকসইভাবে নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে বর্তমান সরকার বহুমুখী কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে মিয়ানমারের জান্তা সরকারের পাশাপাশি আরাকান আর্মিসহ সব পক্ষের সঙ্গে সম্ভাব্য আলোচনার বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন একটি অত্যন্ত জটিল ও বহুমাত্রিক আন্তর্জাতিক ইস্যু। রাখাইন রাজ্যে একটি স্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষে মিয়ানমার সরকার ও আরাকান আর্মির মধ্যে একটি কার্যকর সংলাপের ক্ষেত্র তৈরি হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে সংলাপ জোরদার করেছে। পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের তথ্য যাচাইকরণ এবং তৃতীয় কোনো দেশে পুনর্বাসনের কার্যক্রমও নিয়মিতভাবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

শ্রমবাজার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী জানান, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানে নতুন করে বাজার সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। থাইল্যান্ডের সঙ্গে কর্মী নিয়োগ সংক্রান্ত চুক্তির খসড়া ইতোমধ্যে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বন্ধ থাকা মালয়েশীয় শ্রমবাজার পুনরায় চালুর বিষয়ে নিবিড় কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি সংসদকে অবহিত করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সুনামগঞ্জে ১৩ লাখ টাকার ভারতীয় ফুসকা জব্দ, ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনার সক্রিয় বিবেচনায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৮:১৯:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও টেকসইভাবে নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে বর্তমান সরকার বহুমুখী কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে মিয়ানমারের জান্তা সরকারের পাশাপাশি আরাকান আর্মিসহ সব পক্ষের সঙ্গে সম্ভাব্য আলোচনার বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন একটি অত্যন্ত জটিল ও বহুমাত্রিক আন্তর্জাতিক ইস্যু। রাখাইন রাজ্যে একটি স্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষে মিয়ানমার সরকার ও আরাকান আর্মির মধ্যে একটি কার্যকর সংলাপের ক্ষেত্র তৈরি হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে সংলাপ জোরদার করেছে। পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের তথ্য যাচাইকরণ এবং তৃতীয় কোনো দেশে পুনর্বাসনের কার্যক্রমও নিয়মিতভাবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

শ্রমবাজার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী জানান, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানে নতুন করে বাজার সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। থাইল্যান্ডের সঙ্গে কর্মী নিয়োগ সংক্রান্ত চুক্তির খসড়া ইতোমধ্যে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বন্ধ থাকা মালয়েশীয় শ্রমবাজার পুনরায় চালুর বিষয়ে নিবিড় কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি সংসদকে অবহিত করেন।