ঢাকা ০৮:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

লেবানন সংক্রান্ত শর্ত মেনে চলতে ইসরাইলকে যুক্তরাষ্ট্রের কড়া বার্তা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারকের অংশ হিসেবে লেবানন-সংক্রান্ত শর্তাবলী মেনে চলার ব্যাপারে ইসরাইলকে কঠোর বার্তা দিয়েছে। ওয়াশিংটন থেকে আল জাজিরার সাংবাদিক মাইক হানা জানিয়েছেন, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এই বিষয়ে ইসরাইলকে ‘খুবই কঠোর’ ভাষায় সতর্ক করেছেন।

হানা উল্লেখ করেন যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উত্তপ্ত আলোচনা করেছেন, বিশেষ করে যখন তিনি আশঙ্কা করেছিলেন যে লেবাননে ইসরাইলের কার্যকলাপ এই সমঝোতা স্মারকটি পাস করানোর পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে। তিনি আরও জানান, এই চুক্তিতে লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী ইসরাইল-সমর্থক লবি ট্রাম্প প্রশাসনের সমালোচনা করেছে।

হানা বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আগে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে লেবানন একটি আলাদা বিষয়। কিন্তু এই সমঝোতা স্মারকে আমরা খুব স্পষ্টভাবে দেখতে পাচ্ছি, এটি সমঝোতার একটি অংশ এবং ইসরাইলকে অবশ্যই লেবাননে কোনো কার্যকলাপ না চালানোর শর্ত মেনে চলতে হবে।”

আল জাজিরার এই সাংবাদিক আরও জানিয়েছেন, এই অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের বহু ইসরাইল-সমর্থক সদস্যের মধ্যে প্রশ্ন ও অসন্তোষ তৈরি করেছে। তবে ট্রাম্প প্রশাসন এই সমালোচনার জবাব দিয়ে নিজেদের অবস্থানে অনড় রয়েছে।

এদিকে, চূড়ান্ত চুক্তি কার্যকর হতে এখনও দুই মাস সময় আছে। নেতানিয়াহু চান না চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হোক। তাই যুক্তরাষ্ট্রকে সমঝোতা থেকে সরাতে এখন নতুন পরিকল্পনার পথে হাঁটছেন তিনি। এক ইসরাইলি কর্মকর্তা সিএনএনকে বলেছেন, নেতানিয়াহুর লক্ষ্য হলো চূড়ান্ত চুক্তির বিষয়বস্তু নিজের অবস্থানের অনুকূলে নিয়ে আসা। এজন্য তিনি নিজের ঘনিষ্ঠ ডানপন্থী গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব এবং যুক্তরাষ্ট্রের কিছু সিনেটরদের ব্যবহার করে ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মিরসরাইয়ে ফুটবল খেলা নিয়ে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ২

লেবানন সংক্রান্ত শর্ত মেনে চলতে ইসরাইলকে যুক্তরাষ্ট্রের কড়া বার্তা

আপডেট সময় : ০৯:২৯:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারকের অংশ হিসেবে লেবানন-সংক্রান্ত শর্তাবলী মেনে চলার ব্যাপারে ইসরাইলকে কঠোর বার্তা দিয়েছে। ওয়াশিংটন থেকে আল জাজিরার সাংবাদিক মাইক হানা জানিয়েছেন, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এই বিষয়ে ইসরাইলকে ‘খুবই কঠোর’ ভাষায় সতর্ক করেছেন।

হানা উল্লেখ করেন যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উত্তপ্ত আলোচনা করেছেন, বিশেষ করে যখন তিনি আশঙ্কা করেছিলেন যে লেবাননে ইসরাইলের কার্যকলাপ এই সমঝোতা স্মারকটি পাস করানোর পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে। তিনি আরও জানান, এই চুক্তিতে লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী ইসরাইল-সমর্থক লবি ট্রাম্প প্রশাসনের সমালোচনা করেছে।

হানা বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আগে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে লেবানন একটি আলাদা বিষয়। কিন্তু এই সমঝোতা স্মারকে আমরা খুব স্পষ্টভাবে দেখতে পাচ্ছি, এটি সমঝোতার একটি অংশ এবং ইসরাইলকে অবশ্যই লেবাননে কোনো কার্যকলাপ না চালানোর শর্ত মেনে চলতে হবে।”

আল জাজিরার এই সাংবাদিক আরও জানিয়েছেন, এই অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের বহু ইসরাইল-সমর্থক সদস্যের মধ্যে প্রশ্ন ও অসন্তোষ তৈরি করেছে। তবে ট্রাম্প প্রশাসন এই সমালোচনার জবাব দিয়ে নিজেদের অবস্থানে অনড় রয়েছে।

এদিকে, চূড়ান্ত চুক্তি কার্যকর হতে এখনও দুই মাস সময় আছে। নেতানিয়াহু চান না চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হোক। তাই যুক্তরাষ্ট্রকে সমঝোতা থেকে সরাতে এখন নতুন পরিকল্পনার পথে হাঁটছেন তিনি। এক ইসরাইলি কর্মকর্তা সিএনএনকে বলেছেন, নেতানিয়াহুর লক্ষ্য হলো চূড়ান্ত চুক্তির বিষয়বস্তু নিজের অবস্থানের অনুকূলে নিয়ে আসা। এজন্য তিনি নিজের ঘনিষ্ঠ ডানপন্থী গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব এবং যুক্তরাষ্ট্রের কিছু সিনেটরদের ব্যবহার করে ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন।