ঢাকা ০৮:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

ইরানের ওপর থেকে নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করল যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন সামরিক বাহিনীর মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক কমান্ড সেন্টকম (সেন্ট্রাল কমান্ড) বৃহস্পতিবার জানিয়েছে যে, আরব উপসাগর ও ওমান উপসাগরে অবস্থিত ইরানের বন্দরগুলোতে প্রবেশ ও ছেড়ে যাওয়া সব ধরনের নৌযানের ওপর আরোপিত অবরোধ প্রত্যাহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সেন্টকম জানিয়েছে, এখন থেকে মার্কিন বাহিনী ইরানের বন্দরগুলোতে যাওয়া বা সেখান থেকে বের হওয়া জাহাজের চলাচলে কোনো বাধা দেবে না। তবে, অঞ্চলটিতে মার্কিন নৌবাহিনীর উপস্থিতি অব্যাহত থাকবে। সেন্টকমের ভাষ্যমতে, ইরানের সঙ্গে হওয়া সমঝোতার সব দিক যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত করতেই মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো ওই এলাকায় মোতায়েন থাকবে।

সাম্প্রতিক উত্তেজনার পর যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তকে আঞ্চলিক সামুদ্রিক বাণিজ্য ও নৌ চলাচলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। যদিও সমঝোতার বিস্তারিত শর্ত সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে আর কোনো তথ্য জানানো হয়নি। উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প ডিজিটালভাবে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেন, যেখানে যুদ্ধ বন্ধ, লেবানন পরিস্থিতি, হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা এবং ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ প্রত্যাহারের মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে উভয় পক্ষ ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মতো বিষয়গুলো নিয়ে ৬০ দিনের একটি আলোচনা প্রক্রিয়া শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মিরসরাইয়ে ফুটবল খেলা নিয়ে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ২

ইরানের ওপর থেকে নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করল যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় : ০৮:২৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

মার্কিন সামরিক বাহিনীর মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক কমান্ড সেন্টকম (সেন্ট্রাল কমান্ড) বৃহস্পতিবার জানিয়েছে যে, আরব উপসাগর ও ওমান উপসাগরে অবস্থিত ইরানের বন্দরগুলোতে প্রবেশ ও ছেড়ে যাওয়া সব ধরনের নৌযানের ওপর আরোপিত অবরোধ প্রত্যাহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সেন্টকম জানিয়েছে, এখন থেকে মার্কিন বাহিনী ইরানের বন্দরগুলোতে যাওয়া বা সেখান থেকে বের হওয়া জাহাজের চলাচলে কোনো বাধা দেবে না। তবে, অঞ্চলটিতে মার্কিন নৌবাহিনীর উপস্থিতি অব্যাহত থাকবে। সেন্টকমের ভাষ্যমতে, ইরানের সঙ্গে হওয়া সমঝোতার সব দিক যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত করতেই মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো ওই এলাকায় মোতায়েন থাকবে।

সাম্প্রতিক উত্তেজনার পর যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তকে আঞ্চলিক সামুদ্রিক বাণিজ্য ও নৌ চলাচলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। যদিও সমঝোতার বিস্তারিত শর্ত সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে আর কোনো তথ্য জানানো হয়নি। উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প ডিজিটালভাবে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেন, যেখানে যুদ্ধ বন্ধ, লেবানন পরিস্থিতি, হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা এবং ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ প্রত্যাহারের মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে উভয় পক্ষ ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মতো বিষয়গুলো নিয়ে ৬০ দিনের একটি আলোচনা প্রক্রিয়া শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে।