ঢাকা ০৮:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

এরদোয়ানের প্রভাবে আঙ্কারা ন্যাটো সম্মেলনে ট্রাম্প, উত্তেজনা বাড়ছে পশ্চিমা জোটে

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোয়ানকে সন্তুষ্ট করতেই যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আঙ্কারায় অনুষ্ঠিতব্য ন্যাটো সম্মেলনে অংশ নেবেন। গত মাসে এরদোয়ানের সঙ্গে ট্রাম্পের ফোনালাপের উল্লেখ করে একাধিক সূত্রের বরাতে এমন তথ্য জানিয়েছে মিডল ইস্ট আই।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় মিত্রদের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে উত্তেজনা বেড়েই চলেছে। আগামী জুলাইয়ে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় অনুষ্ঠিতব্য ন্যাটো সম্মেলনকে উভয় পক্ষের সম্পর্কের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ নিজেদের অবস্থান তুলে ধরবে এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার পথ নির্ধারণের চেষ্টা করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেন, অনেক ইউরোপীয় দেশ বলছে যে, আমাদের প্রেসিডেন্টের আয়োজনে তুরস্কে এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, কেননা এর ফলেই সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অংশগ্রহণ সম্ভব হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের প্রেসিডেন্ট কিংবা তুরস্ক না থাকলে ট্রাম্প আসতেন না। এতে কার্যত তিনি ন্যাটো সম্মেলনকে গুরুত্ব দেন না—এমন বার্তাই যেত।’ ফিদানের মতে, সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ—উভয় পক্ষের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আলোচনা হবে এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট উপস্থিত না থাকলে এসব গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুর সমাধান সম্ভব নয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মিরসরাইয়ে ফুটবল খেলা নিয়ে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ২

এরদোয়ানের প্রভাবে আঙ্কারা ন্যাটো সম্মেলনে ট্রাম্প, উত্তেজনা বাড়ছে পশ্চিমা জোটে

আপডেট সময় : ০৮:৩২:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোয়ানকে সন্তুষ্ট করতেই যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আঙ্কারায় অনুষ্ঠিতব্য ন্যাটো সম্মেলনে অংশ নেবেন। গত মাসে এরদোয়ানের সঙ্গে ট্রাম্পের ফোনালাপের উল্লেখ করে একাধিক সূত্রের বরাতে এমন তথ্য জানিয়েছে মিডল ইস্ট আই।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় মিত্রদের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে উত্তেজনা বেড়েই চলেছে। আগামী জুলাইয়ে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় অনুষ্ঠিতব্য ন্যাটো সম্মেলনকে উভয় পক্ষের সম্পর্কের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ নিজেদের অবস্থান তুলে ধরবে এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার পথ নির্ধারণের চেষ্টা করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেন, অনেক ইউরোপীয় দেশ বলছে যে, আমাদের প্রেসিডেন্টের আয়োজনে তুরস্কে এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, কেননা এর ফলেই সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অংশগ্রহণ সম্ভব হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের প্রেসিডেন্ট কিংবা তুরস্ক না থাকলে ট্রাম্প আসতেন না। এতে কার্যত তিনি ন্যাটো সম্মেলনকে গুরুত্ব দেন না—এমন বার্তাই যেত।’ ফিদানের মতে, সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ—উভয় পক্ষের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আলোচনা হবে এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট উপস্থিত না থাকলে এসব গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুর সমাধান সম্ভব নয়।