ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ ডানপন্থী টেলিভিশন চ্যানেল ‘চ্যানেল ১৪’ সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। বিশেষ করে, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি চুক্তি ঘোষণার পর থেকেই চ্যানেলটির প্রভাবশালী সঞ্চালক ও বিশ্লেষকেরা ট্রাম্প ও তার শীর্ষ উপদেষ্টাদের লক্ষ্য করে আক্রমণাত্মক মন্তব্য করছেন। তাদের মতে, এই চুক্তিতে ইসরাইলের নিরাপত্তা উপেক্ষিত হয়েছে, যা দেশটির সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
যদিও নেতানিয়াহুর সরকার প্রকাশ্যে ট্রাম্পের সমালোচনা করতে দ্বিধাগ্রস্ত, তবে ধারণা করা হচ্ছে চ্যানেল ১৪ সরকারের পক্ষ হয়েই এই ক্ষোভ প্রকাশ করছে। সম্প্রতি ট্রাম্পের নেতানিয়াহুর প্রতি রুক্ষ আচরণ, যেমন জনসমক্ষে তাকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা এবং এক ফোনালাপে তাকে ‘পাগল’ বলে অভিহিত করার ঘটনাও ইসরাইলি শিবিরে আঘাত হেনেছে।
চ্যানেল ১৪-এর জনপ্রিয় টকশো ‘দ্য প্যাট্রিয়টস’-এর সঞ্চালক ইয়িনন মাগাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্পকে ‘লুজার’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। যদিও তিনি মার্কিন নির্বাচনের রাতে ট্রাম্পের সমর্থনে লাইভ অনুষ্ঠান করেছিলেন। তিনি মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সকে হিব্রু ভাষায় ‘নিচ বা নর্দমার কীট’ বলে বর্ণনা করেছেন। এছাড়া, ট্রাম্পের আলোচক স্টিভ উইটকফ এবং জামাতা জ্যারেড কুশনারের বিরুদ্ধে ইসরাইলের স্বার্থ বিকিয়ে দেওয়ার অভিযোগ এনে তাদের ‘জিউবয়েজ বা ইহুদি বালক’ বলে উপহাস করেছেন। মাগালের এই মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইসরাইলের অ্যান্টি-ডিফেমেশন লিগ (এডিএল)।
চ্যানেলটির আরেক তারকা এবং নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক বিশ্লেষক ইয়াকভ বারদুগো অন-এয়ারে ট্রাম্প এবং ভ্যান্সকে হিটলারের প্রতি তোষণ নীতি গ্রহণকারী ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী নেভিল চেম্বারলিনের সঙ্গে তুলনা করে ‘আধুনিক চেম্বারলিন’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি উইটকফ ও কুশনারের দলকে ‘আবাসন ব্যবসায়ী’ এবং তাদের পদক্ষেপকে ‘সম্পূর্ণ কূটনৈতিক দেউলিয়াত্ব’ বলে উল্লেখ করেন।
রিপোর্টারের নাম 

























