গত শুক্রবার মুক্তিপ্রাপ্ত রাজনৈতিক স্যাটায়ারধর্মী চলচ্চিত্র ‘দ্য ইউনিভার্সিটি অব চানখাঁরপুল’ দর্শকদের কাছ থেকে ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া পেয়েছে। মুক্তির প্রথম দিনেই ঢাকার স্টার সিনেপ্লেক্স (বসুন্ধরা সিটি) এবং কেরানীগঞ্জস্থ লায়ন সিনেমাস-এ ছবিটির প্রদর্শনীগুলোতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। বিভিন্ন বয়স ও শ্রেণি-পেশার দর্শকদেরও ছবিটি উপভোগ করতে দেখা গেছে।
মুক্তির প্রথম দিন বিকেলের শো শেষে চলচ্চিত্রটির পরিচালক, নির্বাহী প্রযোজক ও কলাকুশলীরা দর্শকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন। এ সময় উপস্থিত দর্শকরা ছবিটির সাহসী রাজনৈতিক বক্তব্য, নির্মাণশৈলী এবং সমসাময়িক বাস্তবতাকে পর্দায় তুলে ধরার প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করেন। দর্শকদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পরিচিত বাস্তবতা—হল কালচার, গেস্টরুম, ক্ষমতার রাজনীতি, ‘বড় ভাই’ সংস্কৃতি এবং তরুণদের হারিয়ে যাওয়া স্বপ্ন—হাস্যরস, ব্যঙ্গ এবং গভীর মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে চলচ্চিত্রটিতে চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। রাজনীতিবিদদের নানা অন্ধকার দিকও অত্যন্ত বাস্তবসম্মত ও সাহসীভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে তারা মন্তব্য করেন। সমালোচক ও দর্শক মহলে ছবিটি ইতিমধ্যেই একটি ব্যতিক্রমধর্মী রাজনৈতিক স্যাটায়ার হিসেবে আখ্যায়িত হয়েছে।
চলচ্চিত্রটির পরিচালক আকাশ হক এবং নির্বাহী প্রযোজক মো. হাফিজউদ্দিন মুন্না জানান, প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শন পর্ব শেষ হওয়ার পর দেশের প্রায় ৫০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন ফিল্ম ক্লাবের সহযোগিতায় বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে স্বল্প খরচে শিক্ষার্থীদের কাছে ছবিটি পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। তারা বলেন, “দ্য ইউনিভার্সিটি অব চানখাঁরপুল মূলত তরুণদের গল্প, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের গল্প এবং আমাদের সময়ের গল্প। আমরা চাই দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সহজে ও স্বল্প খরচে ছবিটি দেখার সুযোগ পাক।”
রিপোর্টারের নাম 

























