ঢাকা ০৩:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

বিশ্ব বাবা দিবস: স্মৃতির পাতায় বাবার সঙ্গে কাটানো সেই অমূল্য সময়

প্রতি বছর জুন মাসের তৃতীয় রবিবার বিশ্বজুড়ে পালিত হয় বাবা দিবস। বাবার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা প্রকাশের এই দিনটি প্রতিটি সন্তানের কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বাবা মানেই সন্তানের মাথার ওপর এক বিশাল ছায়া, এক পরম নির্ভরতার নাম। যদিও সবার জীবনের গল্প এক নয়, কারো কাছে বাবা মানে আনন্দের স্মৃতি, আবার কারো কাছে কেবলই এক দীর্ঘশ্বাস। তবে অধিকাংশের কাছেই বাবা মানে পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়স্থল।

বাবার সঙ্গে কাটানো অমূল্য স্মৃতিগুলোর কথা মনে পড়লে আজও মন বিষণ্ন হয়ে ওঠে। আমি তখন স্নাতক প্রথম বর্ষের ছাত্রী। এক ঈদে যখন পরিবারের সবাই গ্রামে চলে গিয়েছিল, তখন ঢাকার বাসায় শুধু আমি আর বাবা ছিলাম। সেই দিনগুলোতে বাবার সঙ্গে কাটানো সময়গুলো ছিল অন্যরকম। বাবা চাইতেন না আমি গরমে কষ্ট করে রান্না করি, তাই পাশের বাসায় থাকা ফুপুদের ওখানে আমাদের খাওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন। কিন্তু বড় মেয়ে হিসেবে আমার মনে তীব্র ইচ্ছা ছিল বাবাকে নিজের হাতে কিছু রেঁধে খাওয়ানোর।

ঈদের আগের দিন বাবাকে যখন পায়েস রান্নার কথা বললাম, তখন বাবার সেই অবাক হওয়া আর স্নেহের চাহনি আজও চোখে ভাসে। ছোট ছোট এমন অসংখ্য স্মৃতি আর না বলা কথা দিয়েই তৈরি হয় বাবা ও সন্তানের সম্পর্কের এক গভীর বন্ধন। প্রতিটি বাবার প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা অটুট থাকুক চিরকাল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্ববাজারে জ্বালানির দরপতন, দেশে কমবে কবে?

বিশ্ব বাবা দিবস: স্মৃতির পাতায় বাবার সঙ্গে কাটানো সেই অমূল্য সময়

আপডেট সময় : ০১:৩৪:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

প্রতি বছর জুন মাসের তৃতীয় রবিবার বিশ্বজুড়ে পালিত হয় বাবা দিবস। বাবার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা প্রকাশের এই দিনটি প্রতিটি সন্তানের কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বাবা মানেই সন্তানের মাথার ওপর এক বিশাল ছায়া, এক পরম নির্ভরতার নাম। যদিও সবার জীবনের গল্প এক নয়, কারো কাছে বাবা মানে আনন্দের স্মৃতি, আবার কারো কাছে কেবলই এক দীর্ঘশ্বাস। তবে অধিকাংশের কাছেই বাবা মানে পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়স্থল।

বাবার সঙ্গে কাটানো অমূল্য স্মৃতিগুলোর কথা মনে পড়লে আজও মন বিষণ্ন হয়ে ওঠে। আমি তখন স্নাতক প্রথম বর্ষের ছাত্রী। এক ঈদে যখন পরিবারের সবাই গ্রামে চলে গিয়েছিল, তখন ঢাকার বাসায় শুধু আমি আর বাবা ছিলাম। সেই দিনগুলোতে বাবার সঙ্গে কাটানো সময়গুলো ছিল অন্যরকম। বাবা চাইতেন না আমি গরমে কষ্ট করে রান্না করি, তাই পাশের বাসায় থাকা ফুপুদের ওখানে আমাদের খাওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন। কিন্তু বড় মেয়ে হিসেবে আমার মনে তীব্র ইচ্ছা ছিল বাবাকে নিজের হাতে কিছু রেঁধে খাওয়ানোর।

ঈদের আগের দিন বাবাকে যখন পায়েস রান্নার কথা বললাম, তখন বাবার সেই অবাক হওয়া আর স্নেহের চাহনি আজও চোখে ভাসে। ছোট ছোট এমন অসংখ্য স্মৃতি আর না বলা কথা দিয়েই তৈরি হয় বাবা ও সন্তানের সম্পর্কের এক গভীর বন্ধন। প্রতিটি বাবার প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা অটুট থাকুক চিরকাল।