২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর অস্তিত্বের সংকটে পড়ে আওয়ামী লীগ। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিষেধাজ্ঞা ও নিবন্ধন স্থগিত হওয়ার পর দলটি এখন ভিন্ন কৌশলে পুনরায় রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে। ২০২৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে সরাসরি অংশগ্রহণের সুযোগ না থাকলেও আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে তারা পুনর্বাসনের মূল মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছে।
সম্প্রতি স্থানীয় সরকার নির্বাচন আইন সংশোধন করে দলীয় প্রতীকের পরিবর্তে নির্দলীয় নির্বাচনের বিধান করায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের জন্য একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আইনগত বাধা না থাকলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তৃণমূলের কর্মীরা এই নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন। বিদেশে অবস্থানরত ও আত্মগোপনে থাকা নেতারা এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে কর্মীদের সংগঠিত করার নির্দেশনা দিচ্ছেন।
এছাড়া দেশের বিভিন্ন আইনজীবী সমিতি ও পেশাজীবী সংগঠনের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেলগুলোর অনানুষ্ঠানিক অংশগ্রহণ দলটিকে কিছুটা অক্সিজেন দিচ্ছে। প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে এখনো সক্রিয় থাকা আওয়ামী ঘরানার কর্মকর্তাদের নেটওয়ার্ক তাদের এই প্রত্যাবর্তনের প্রক্রিয়ায় সহায়ক ভূমিকা পালন করছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের কাছে তারা কতটা গ্রহণযোগ্য হবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।
রিপোর্টারের নাম 
























