নবগঠিত বগুড়া সিটি কর্পোরেশনকে একটি টেকসই ও আধুনিক মডেল সিটি হিসেবে গড়ে তোলার মহাপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। শনিবার সরকারি মজিবর রহমান ভাণ্ডারি মহিলা কলেজের শিক্ষক মিলনায়তনে আয়োজিত ‘নবগঠিত বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের টেকসই উন্নয়নে নাগরিক সমস্যা ও প্রত্যাশা’ শীর্ষক সেমিনারে এই জোনভিত্তিক উন্নয়নের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়।
সেমিনারে বক্তারা বগুড়া নগরীকে পূর্ব-পশ্চিমে তিনটি সড়ক, উত্তর-পশ্চিম প্রযুক্তি হাইটেক পার্ক, দক্ষিণ-পশ্চিমে হেলথ সিটি জোন, উত্তর-পূর্ব গ্রীন জোন, দক্ষিণ-পূর্ব বাণিজ্যিক এবং মধ্য শহরে প্রশাসনিক ও ট্রানজিট জোনে ভাগ করার প্রস্তাব করেন। নওগাঁর বদলগাছী সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ড. আলামগীর হাসান মূল প্রবন্ধে এই জোনভিত্তিক পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।
প্রবন্ধ উপস্থাপনায় ড. আলামগীর হাসান বগুড়াকে টেকসই ও হেলদি নগরী হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য নাগরিক সমস্যার সংকট এবং উত্তরণের দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি শহরের সুষম উন্নয়নের জন্য জোনভিত্তিক পরিকল্পনার অপরিহার্যতা তুলে ধরেন।
সিটি প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন বলেন, শহরকে বিকেন্দ্রীকরণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে এবং ইতোমধ্যে ঠনঠনিয়া বাসস্ট্যান্ড স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত হয়েছে। তিনি বগুড়াকে একটি টেকসই শহর হিসেবে গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা ও স্মার্ট নাগরিকের গুরুত্বের ওপর জোর দেন।
মূল আলোচক অ্যাডভোকেট এ কে এম মাহবুবর রহমান বগুড়া সিটি কর্পোরেশন গঠনের ইতিহাস তুলে ধরে বলেন, বগুড়াবাসীর জন্য এটি নতুন সুযোগ। টেকসই ও হেলদি সিটি গঠনে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ কমাতে লাইসেন্স ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি পর্যাপ্ত গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করারও প্রস্তাব দেন তিনি।
পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (আরডিএ) পরিচালক ড. শেখ মেহেদী মোহাম্মদ পূর্ব-পশ্চিমে একাধিক রাস্তাকে ফোর লেনে উন্নীত করার কথা বলেন। টিএমএসএস এর উপ-নির্বাহী পরিচালক ডা. মো. মতিউর রহমান শহরের প্রতিটি জোনে সরকারি স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান। সরকারি আজিজুল হক কলেজের গণিত বিভাগের প্রধান প্রফেসর মো. রফিকুল ইসলাম নগরের উন্নয়নের অংশ হিসেবে স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য নগর কার্যক্রম সম্পর্কে সহশিক্ষা চালুর প্রস্তাব করেন।
রিপোর্টারের নাম 

























