ঢাকা ০৬:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

কুমিল্লায় রেলওয়ের আবাসিক কলোনি এখন বহিরাগত ও অপরাধীদের দখলে, বাড়ছে জনভোগান্তি

কুমিল্লা রেলওয়ে স্টেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বরাদ্দকৃত শতাধিক আবাসিক ভবন এখন অযত্ন আর অবহেলায় ধ্বংসের মুখে। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় এসব ভবন বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে, যার সুযোগ নিয়ে অধিকাংশ বাসা এখন বহিরাগতদের দখলে চলে গেছে। নিম্ন আয়ের মানুষ ও ভাসমান পরিবারগুলো নামমাত্র মূল্যে এসব পরিত্যক্ত ঘরে বসবাস করছে। যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা আর ড্রেনেজ ব্যবস্থার বেহাল দশায় কলোনির রাস্তাঘাট এখন চেনার উপায় নেই।

ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমলে নির্মিত এই কলোনি একসময় অত্যন্ত নিরাপদ ও পরিকল্পিত থাকলেও বর্তমানে তা মাদকসেবী ও অপরাধীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। নিরাপত্তা সংকটের কারণে রেলওয়ের নিয়মিত কর্মচারীরা সরকারি বরাদ্দ ছেড়ে দিয়ে অন্যত্র বাসা ভাড়া থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক বাসায় অবৈধ গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করে ঝুঁকিপূর্ণভাবে রান্নাবান্না ও ব্যবসা চালানো হচ্ছে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের এমন রহস্যজনক নীরবতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সিরাজগঞ্জে মহাসড়কের নিচ থেকে ব্যক্তির লাশ উদ্ধার, মৃত্যুর কারণ অস্পষ্ট

কুমিল্লায় রেলওয়ের আবাসিক কলোনি এখন বহিরাগত ও অপরাধীদের দখলে, বাড়ছে জনভোগান্তি

আপডেট সময় : ০১:৫৫:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

কুমিল্লা রেলওয়ে স্টেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বরাদ্দকৃত শতাধিক আবাসিক ভবন এখন অযত্ন আর অবহেলায় ধ্বংসের মুখে। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় এসব ভবন বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে, যার সুযোগ নিয়ে অধিকাংশ বাসা এখন বহিরাগতদের দখলে চলে গেছে। নিম্ন আয়ের মানুষ ও ভাসমান পরিবারগুলো নামমাত্র মূল্যে এসব পরিত্যক্ত ঘরে বসবাস করছে। যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা আর ড্রেনেজ ব্যবস্থার বেহাল দশায় কলোনির রাস্তাঘাট এখন চেনার উপায় নেই।

ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমলে নির্মিত এই কলোনি একসময় অত্যন্ত নিরাপদ ও পরিকল্পিত থাকলেও বর্তমানে তা মাদকসেবী ও অপরাধীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। নিরাপত্তা সংকটের কারণে রেলওয়ের নিয়মিত কর্মচারীরা সরকারি বরাদ্দ ছেড়ে দিয়ে অন্যত্র বাসা ভাড়া থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক বাসায় অবৈধ গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করে ঝুঁকিপূর্ণভাবে রান্নাবান্না ও ব্যবসা চালানো হচ্ছে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের এমন রহস্যজনক নীরবতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।