কাতারের বিপক্ষে কানাডার ৬-০ গোলের বড় জয়ের ম্যাচে মারাত্মক ট্যাকলের শিকার হয়ে পা ভেঙে গেছে কানাডার মিডফিল্ডার ইসমাইল কোনের। এই চোটের কারণে তার বিশ্বকাপ স্বপ্ন কার্যত শেষ হয়ে গেছে।
ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠিত ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচের ৫২তম মিনিটে কাতারের মিডফিল্ডার আসিম মাদিবো বল দখলের লড়াইয়ে কোনের বাম পায়ের পেছনে ট্যাকল করেন। সংঘর্ষের পরপরই পরিস্থিতির ভয়াবহতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। মাঠের পাশে থাকা মাইক্রোফোনে একজন খেলোয়াড়কে বলতে শোনা যায়, “তার পা ঝুলে গেছে।” চোট পাওয়ার পর দুই দলের খেলোয়াড়রাই কোনেকে ঘিরে মানবঢাল তৈরি করেন, যাতে দৃশ্যটি দর্শকদের সামনে না আসে। দ্রুত মাঠে প্রবেশ করেন চিকিৎসাকর্মীরা। পরে স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়ার সময় দর্শকদের উদ্দেশে হাতও নাড়েন কানাডার এই মিডফিল্ডার।
ঘটনার পর কাতারের আসিম মাদিবোকে সরাসরি লাল কার্ড দেখানো হয়। এর আগে প্রথমার্ধে হোমাম আহমেদ লাল কার্ড দেখায় কাতার তখন ৯ জনের দলে পরিণত হয়। ম্যাচ শেষে কানাডার কোচ জেসি মার্শ জানান, ঘটনাটি তাদের বেঞ্চের সামনেই ঘটেছিল এবং তারা সবাই হাড় ভাঙার শব্দ শুনতে পেয়েছিলেন। তিনি বলেন, “ইসমাইল আমাদের দলের খুব গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই ধরনের চোটে তাকে হারানো আমাদের জন্য বড় ধাক্কা।”
ঘটনার সবচেয়ে কাছাকাছি থাকা কানাডার মিডফিল্ডার স্টিফেন ইউস্তাকিও বলেন, “আমি তার পায়ের দিকে তাকিয়ে বুঝেছিলাম কিছু একটা ভয়াবহ হয়েছে। তখন শুধু চাইছিলাম চিকিৎসাকর্মীরা যত দ্রুত সম্ভব মাঠে আসুক।” তিনি আরও বলেন, “সে কার্যত কোনের পা ভেঙে দিয়েছে। হলুদ কার্ডের দাবি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।”
রিপোর্টারের নাম 

























