ঢাকা ১১:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

বৈষম্য তুলে ধরায় সুনামগঞ্জে কলেজ শিক্ষিকার চাকরিচ্যুতি: তদন্তের দাবি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩২:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বেতগঞ্জ বাজারস্থ আলহাজ্ব জামসেদ-আছিয়া মহাবিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রভাষক হাসিনা হাসনাতকে কোচিং ক্লাস বন্টনের বৈষম্য তুলে ধরার জের ধরে চাকরিচ্যুত করার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (১০ জুন) সুনামগঞ্জ পৌরবিপণীস্থ একটি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ করেন।

প্রভাষিকা হাসিনা হাসনাত লিখিত বক্তব্যে জানান, গত ৪ মে কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির কোচিং ক্লাস বন্টন নিয়ে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে আলোচনা হয়। সেখানে ইংরেজি বিভাগের একজন শিক্ষককে নির্ধারিত সংখ্যার চেয়ে বেশি ক্লাস দেওয়া এবং অন্যান্য শিক্ষকদের মতামত উপেক্ষা করে সুবিধা প্রদানের বিষয়টি উঠে আসে। পরদিন কলেজে গেলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আলী আহমেদের নির্দেশে অফিস স্টাফ আনু মিয়া তাকে ক্লাস নিতে বাধা দেন। এ বিষয়ে তাকে কোনো কারণ দর্শানোর নোটিশ বা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়নি বলেও তিনি অভিযোগ করেন। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা সত্ত্বেও তার সাথে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান এবং পরিকল্পিতভাবে তাকে চাকরি থেকে অপসারণ করেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, এলাকার মানুষের ত্যাগের ফসল এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে বিভিন্ন অনিয়ম, অস্বচ্ছতা ও একক সিদ্ধান্তের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, যা শিক্ষা ও প্রশাসনিক পরিবেশের অবনতি ঘটাচ্ছে এবং শিক্ষার্থী ভর্তির হারও কমিয়ে দিচ্ছে। তিনি সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আলী আহমদ বলেন, শিক্ষিকার বিরুদ্ধে কলেজে গ্রুপিং এবং স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ রয়েছে। তিনি আরও জানান, কলেজটি নতুন এবং খণ্ডকালীন শিক্ষক দিয়ে চলছে, তাই নিয়োগ বা যোগদানের কোনো বৈধতা নেই।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সুন্দরবন সীমান্তে বিএসএফের পুশইন প্রচেষ্টা ব্যর্থ, বিজিবির কড়া নজরদারি

বৈষম্য তুলে ধরায় সুনামগঞ্জে কলেজ শিক্ষিকার চাকরিচ্যুতি: তদন্তের দাবি

আপডেট সময় : ০৯:৩২:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বেতগঞ্জ বাজারস্থ আলহাজ্ব জামসেদ-আছিয়া মহাবিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রভাষক হাসিনা হাসনাতকে কোচিং ক্লাস বন্টনের বৈষম্য তুলে ধরার জের ধরে চাকরিচ্যুত করার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (১০ জুন) সুনামগঞ্জ পৌরবিপণীস্থ একটি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ করেন।

প্রভাষিকা হাসিনা হাসনাত লিখিত বক্তব্যে জানান, গত ৪ মে কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির কোচিং ক্লাস বন্টন নিয়ে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে আলোচনা হয়। সেখানে ইংরেজি বিভাগের একজন শিক্ষককে নির্ধারিত সংখ্যার চেয়ে বেশি ক্লাস দেওয়া এবং অন্যান্য শিক্ষকদের মতামত উপেক্ষা করে সুবিধা প্রদানের বিষয়টি উঠে আসে। পরদিন কলেজে গেলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আলী আহমেদের নির্দেশে অফিস স্টাফ আনু মিয়া তাকে ক্লাস নিতে বাধা দেন। এ বিষয়ে তাকে কোনো কারণ দর্শানোর নোটিশ বা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়নি বলেও তিনি অভিযোগ করেন। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা সত্ত্বেও তার সাথে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান এবং পরিকল্পিতভাবে তাকে চাকরি থেকে অপসারণ করেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, এলাকার মানুষের ত্যাগের ফসল এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে বিভিন্ন অনিয়ম, অস্বচ্ছতা ও একক সিদ্ধান্তের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, যা শিক্ষা ও প্রশাসনিক পরিবেশের অবনতি ঘটাচ্ছে এবং শিক্ষার্থী ভর্তির হারও কমিয়ে দিচ্ছে। তিনি সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আলী আহমদ বলেন, শিক্ষিকার বিরুদ্ধে কলেজে গ্রুপিং এবং স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ রয়েছে। তিনি আরও জানান, কলেজটি নতুন এবং খণ্ডকালীন শিক্ষক দিয়ে চলছে, তাই নিয়োগ বা যোগদানের কোনো বৈধতা নেই।