ঢাকা ০১:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

কক্সবাজারে মা-মেয়ের গণধর্ষণ: উদ্বেগ প্রকাশ আসকের

কক্সবাজারের মাতামুহুরী উপজেলায় এক বাড়িতে ডাকাতির সময় মা ও তার কিশোরী মেয়েকে গণধর্ষণের ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আসক এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানায়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘটনার শিকার নারীর স্বামী চট্টগ্রাম শহরে চাকরি করেন। ১৫ ও ৭ বছর বয়সী দুই মেয়েকে নিয়ে তিনি নিজ বাড়িতে থাকতেন। গত সোমবার দিবাগত রাতে ১০ সদস্যের একটি ডাকাত দল ওই বাড়িতে প্রবেশ করে। তারা জানালার গ্রিল কেটে ঘরে ঢোকে এবং আলমারি থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট করে। এরপর ডাকাত সদস্যরা গৃহবধূ ও তার কিশোরী মেয়েকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে।

আসক মনে করে, এই ধরনের বর্বর ও অমানবিক ঘটনা কেবল ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি নয়, বরং এটি রাষ্ট্রীয়ভাবে নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সক্ষমতা এবং সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর গুরুতর প্রশ্ন উত্থাপন করে। আসকের মতে, নারীর প্রতি যৌন সহিংসতা ও গণধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এমন ঘটনা নাগরিকদের নিরাপত্তাবোধকে গভীরভাবে আঘাত করে এবং সমাজে ভীতি ও অনিশ্চয়তার পরিবেশ তৈরি করে। প্রায়শই নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটলেও অপরাধ প্রতিরোধ, দ্রুত তদন্ত এবং কার্যকর জবাবদিহির অভাব রয়ে যাচ্ছে।

আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) অবিলম্বে এ ঘটনায় জড়িত সকল অপরাধীকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং প্রচলিত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে, ভুক্তভোগী মা ও মেয়ের জন্য জরুরি চিকিৎসা, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা, আইনি সহায়তা এবং সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে মা-মেয়ের গণধর্ষণ: উদ্বেগ প্রকাশ আসকের

কক্সবাজারে মা-মেয়ের গণধর্ষণ: উদ্বেগ প্রকাশ আসকের

আপডেট সময় : ১১:১২:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

কক্সবাজারের মাতামুহুরী উপজেলায় এক বাড়িতে ডাকাতির সময় মা ও তার কিশোরী মেয়েকে গণধর্ষণের ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আসক এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানায়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘটনার শিকার নারীর স্বামী চট্টগ্রাম শহরে চাকরি করেন। ১৫ ও ৭ বছর বয়সী দুই মেয়েকে নিয়ে তিনি নিজ বাড়িতে থাকতেন। গত সোমবার দিবাগত রাতে ১০ সদস্যের একটি ডাকাত দল ওই বাড়িতে প্রবেশ করে। তারা জানালার গ্রিল কেটে ঘরে ঢোকে এবং আলমারি থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট করে। এরপর ডাকাত সদস্যরা গৃহবধূ ও তার কিশোরী মেয়েকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে।

আসক মনে করে, এই ধরনের বর্বর ও অমানবিক ঘটনা কেবল ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি নয়, বরং এটি রাষ্ট্রীয়ভাবে নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সক্ষমতা এবং সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর গুরুতর প্রশ্ন উত্থাপন করে। আসকের মতে, নারীর প্রতি যৌন সহিংসতা ও গণধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এমন ঘটনা নাগরিকদের নিরাপত্তাবোধকে গভীরভাবে আঘাত করে এবং সমাজে ভীতি ও অনিশ্চয়তার পরিবেশ তৈরি করে। প্রায়শই নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটলেও অপরাধ প্রতিরোধ, দ্রুত তদন্ত এবং কার্যকর জবাবদিহির অভাব রয়ে যাচ্ছে।

আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) অবিলম্বে এ ঘটনায় জড়িত সকল অপরাধীকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং প্রচলিত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে, ভুক্তভোগী মা ও মেয়ের জন্য জরুরি চিকিৎসা, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা, আইনি সহায়তা এবং সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।