বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইনের খসড়া নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটির মতে, এই খসড়া আইনের ভিত্তিতে গঠিত কমিশন কোনোভাবেই একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হবে না, বরং সরকারের প্রভাবাধীন একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে। টিআইবি সরকারের কাছে ১৯ দফা সুপারিশ পেশ করেছে।
টিআইবির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, প্রস্তাবিত আইনটি ২০২৫ সালের অধ্যাদেশের তুলনায় কিছু মৌলিক পরিবর্তন এনেছে, যা একটি স্বাধীন ও কার্যকর কমিশন প্রতিষ্ঠার জনআকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী। এই পরিবর্তনগুলো প্যারিস নীতিমালা ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গেও সাংঘর্ষিক বলে সংস্থাটি মনে করে।
টিআইবি উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করেছে যে, খসড়া আইনের ধারা ৩(২) থেকে “সরকারের কোনো মন্ত্রণালয় বা বিভাগের আওতাধীন হবে না” অংশটি বাদ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে কমিশন নির্বাহী বিভাগের আওতাধীন হয়ে যেতে পারে এবং স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হতে পারে।
কমিশনার নিয়োগ প্রক্রিয়ার ওপরও টিআইবি আপত্তি জানিয়েছে। খসড়া আইনের ধারা-৭ অনুযায়ী, কমিশনার নিয়োগ বাছাই কমিটির সদস্য হিসেবে স্পিকার, দুজন মন্ত্রী, সরকারি দলের একজন সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে রাখা হয়েছে। টিআইবির মতে, এতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সরকারি দলের আধিপত্য ও ক্ষমতাসীন দলের প্রভাব প্রতিষ্ঠা হবে, যা নিরপেক্ষতা ক্ষুণ্ন করবে এবং স্বার্থের দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করবে।
টিআইবি খসড়া আইনের ধারা-১৩ তে কমিশনের কার্যাবলী হিসেবে কিছু বিধান অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সকল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা এবং সেনাবাহিনীর সম্ভাব্য আটকস্থল নিয়মিত অনুসন্ধান, পরিদর্শন ও তদন্ত করার ক্ষমতা। এছাড়াও, এসব স্থান ও অবস্থার উন্নয়নে
রিপোর্টারের নাম 






















