ঢাকা ০৫:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

নাগরিক সেবায় অবহেলা করলে চাকরিচ্যুতি: ডিএসসিসি প্রশাসকের হুঁশিয়ারি

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, মশক নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও জন্মনিবন্ধনের মতো মৌলিক নাগরিক সেবায় কোনো ধরনের গাফিলতি বরদাশত করা হবে না। সোমবার রাজধানীর বাসাবোতে আয়োজিত এক গণশুনানিতে তিনি স্পষ্ট জানান, দায়িত্ব পালনে অবহেলা করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে চাকরিচ্যুতিসহ কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডিএসসিসির অঞ্চল-২ ও অঞ্চল-৫ এর আওতাধীন এলাকার নাগরিকদের সমস্যা শুনতে এই গণশুনানির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে নাগরিকরা জলাবদ্ধতা, সড়ক সংস্কার ও মশার উপদ্রবসহ বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। প্রশাসক নাগরিকদের আশ্বস্ত করে বলেন, সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সেবার মান বাড়ানোর সব ধরনের চেষ্টা চলছে, তবে পরিচ্ছন্ন শহর বজায় রাখতে জনগণের সচেতনতা ও অংশগ্রহণও জরুরি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিনিধিরা। শুনানিতে নাগরিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা। প্রশাসক আরও যোগ করেন যে, অতীতে অনেক ক্ষেত্রে দায়িত্বে শিথিলতা থাকলেও বর্তমান প্রশাসন জবাবদিহিতা নিশ্চিতে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় সংকট মোকাবিলায় সাংবাদিকদের ভূমিকার গুরুত্ব অপরিসীম: সেলিম উদ্দিন

নাগরিক সেবায় অবহেলা করলে চাকরিচ্যুতি: ডিএসসিসি প্রশাসকের হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় : ০৯:৩৪:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, মশক নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও জন্মনিবন্ধনের মতো মৌলিক নাগরিক সেবায় কোনো ধরনের গাফিলতি বরদাশত করা হবে না। সোমবার রাজধানীর বাসাবোতে আয়োজিত এক গণশুনানিতে তিনি স্পষ্ট জানান, দায়িত্ব পালনে অবহেলা করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে চাকরিচ্যুতিসহ কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডিএসসিসির অঞ্চল-২ ও অঞ্চল-৫ এর আওতাধীন এলাকার নাগরিকদের সমস্যা শুনতে এই গণশুনানির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে নাগরিকরা জলাবদ্ধতা, সড়ক সংস্কার ও মশার উপদ্রবসহ বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। প্রশাসক নাগরিকদের আশ্বস্ত করে বলেন, সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সেবার মান বাড়ানোর সব ধরনের চেষ্টা চলছে, তবে পরিচ্ছন্ন শহর বজায় রাখতে জনগণের সচেতনতা ও অংশগ্রহণও জরুরি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিনিধিরা। শুনানিতে নাগরিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা। প্রশাসক আরও যোগ করেন যে, অতীতে অনেক ক্ষেত্রে দায়িত্বে শিথিলতা থাকলেও বর্তমান প্রশাসন জবাবদিহিতা নিশ্চিতে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।