ঢাকা ০৭:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

নাটোর সদর হাসপাতালে চাঞ্চল্য: রোগীর মাকে ধর্ষণের অভিযোগে পরিচ্ছন্নতাকর্মীসহ তিনজন গ্রেপ্তার

নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে এক শিশু রোগীর মাকে ধর্ষণের ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতাকর্মী অমিত (২৩), অনিল (২৪) এবং প্রাঙ্গণকে (২৩) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (আজ) স্বাস্থ্য বিভাগ ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে। আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার রাতে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন দুই বছর বয়সী এক কন্যা শিশুর মাকে ওষুধ দেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরিচ্ছন্নতাকর্মী অমিত ছয় তলার সিঁড়ি ঘরে নিয়ে ওই নারীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ সময় অনিল ও প্রাঙ্গণ ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে এবং ভুক্তভোগীকে আটকে রেখে ভিডিও দেখিয়ে আবারও ধর্ষণের চেষ্টা করে। মায়ের অনুপস্থিতিতে শিশুর চিৎকারে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে আনসার সদস্যরা অভিযুক্তদের আটক করলেও কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে তাদের ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগীর বাবা নাটোর সদর থানায় মামলা দায়ের করার পর পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে। নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনসুর রহমান জানান, ভুক্তভোগীর জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে এবং ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজও জব্দ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, মামলাটি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং অপরাধী যেই হোক না কেন, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু, শোকস্তব্ধ এলাকাবাসী

নাটোর সদর হাসপাতালে চাঞ্চল্য: রোগীর মাকে ধর্ষণের অভিযোগে পরিচ্ছন্নতাকর্মীসহ তিনজন গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৫:১৩:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে এক শিশু রোগীর মাকে ধর্ষণের ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতাকর্মী অমিত (২৩), অনিল (২৪) এবং প্রাঙ্গণকে (২৩) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (আজ) স্বাস্থ্য বিভাগ ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে। আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার রাতে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন দুই বছর বয়সী এক কন্যা শিশুর মাকে ওষুধ দেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরিচ্ছন্নতাকর্মী অমিত ছয় তলার সিঁড়ি ঘরে নিয়ে ওই নারীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ সময় অনিল ও প্রাঙ্গণ ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে এবং ভুক্তভোগীকে আটকে রেখে ভিডিও দেখিয়ে আবারও ধর্ষণের চেষ্টা করে। মায়ের অনুপস্থিতিতে শিশুর চিৎকারে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে আনসার সদস্যরা অভিযুক্তদের আটক করলেও কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে তাদের ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগীর বাবা নাটোর সদর থানায় মামলা দায়ের করার পর পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে। নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনসুর রহমান জানান, ভুক্তভোগীর জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে এবং ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজও জব্দ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, মামলাটি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং অপরাধী যেই হোক না কেন, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।