ঢাকা ০৫:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ বিএনপির হাতে নিরাপদ: অর্থমন্ত্রীর আশ্বাস

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন যে ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ বিএনপির হাতে সম্পূর্ণ নিরাপদ। তিনি উল্লেখ করেন যে বিএনপির পূর্ববর্তী সরকারগুলোর শাসনামলে দেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল ছিল এবং সেই আর্থিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনাই তাদের লক্ষ্য।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে ৬৮ বিধিতে সাধারণ আলোচনার সময় অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন। স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রমের সভাপতিত্বে এই অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। বিরোধীদলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমান ব্যাংকের শেয়ার বৈধ মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া এবং ব্যবস্থাপনায় হস্তক্ষেপ বন্ধের দাবিতে আলোচনার প্রস্তাব করেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, একটি বিশেষ মহল রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য ইসলামী ব্যাংককে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিপদে ফেলার চেষ্টা করছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন যে কোনো ব্যাংকের চেয়ারম্যান পরিবর্তনের কারণে গ্রাহকরা টাকা তুলে নিয়ে যাওয়ার নজির বিশ্বে বিরল। গ্রাহকরা তাদের মুনাফা এবং নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত। তিনি আরও বলেন, একটি মহল ব্যাংকটিকে ব্যর্থ প্রমাণ করে দেশে আর্থিক বিশৃঙ্খলা রয়েছে এমনটি দেখাতে চাইছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে বিগত নির্বাচনে অনেক প্রার্থী যাদের আয়ের কোনো উৎস জানা নেই, তারা বিপুল পরিমাণ টাকা খরচ করেছেন। এই ‘আনআর্নড ইনকাম’ রাজনীতিতে প্রবেশ করলে তা অত্যন্ত ক্ষতিকর। বাংলাদেশ ব্যাংক তদন্ত করে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ পায়নি বলেও তিনি জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় সংকট মোকাবিলায় সাংবাদিকদের ভূমিকার গুরুত্ব অপরিসীম: সেলিম উদ্দিন

ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ বিএনপির হাতে নিরাপদ: অর্থমন্ত্রীর আশ্বাস

আপডেট সময় : ১০:৫১:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন যে ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ বিএনপির হাতে সম্পূর্ণ নিরাপদ। তিনি উল্লেখ করেন যে বিএনপির পূর্ববর্তী সরকারগুলোর শাসনামলে দেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল ছিল এবং সেই আর্থিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনাই তাদের লক্ষ্য।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে ৬৮ বিধিতে সাধারণ আলোচনার সময় অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন। স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রমের সভাপতিত্বে এই অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। বিরোধীদলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমান ব্যাংকের শেয়ার বৈধ মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া এবং ব্যবস্থাপনায় হস্তক্ষেপ বন্ধের দাবিতে আলোচনার প্রস্তাব করেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, একটি বিশেষ মহল রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য ইসলামী ব্যাংককে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিপদে ফেলার চেষ্টা করছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন যে কোনো ব্যাংকের চেয়ারম্যান পরিবর্তনের কারণে গ্রাহকরা টাকা তুলে নিয়ে যাওয়ার নজির বিশ্বে বিরল। গ্রাহকরা তাদের মুনাফা এবং নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত। তিনি আরও বলেন, একটি মহল ব্যাংকটিকে ব্যর্থ প্রমাণ করে দেশে আর্থিক বিশৃঙ্খলা রয়েছে এমনটি দেখাতে চাইছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে বিগত নির্বাচনে অনেক প্রার্থী যাদের আয়ের কোনো উৎস জানা নেই, তারা বিপুল পরিমাণ টাকা খরচ করেছেন। এই ‘আনআর্নড ইনকাম’ রাজনীতিতে প্রবেশ করলে তা অত্যন্ত ক্ষতিকর। বাংলাদেশ ব্যাংক তদন্ত করে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ পায়নি বলেও তিনি জানান।