ঢাকা ০৭:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লন্ড‌নে বাংলা‌দে‌শের হাই-ক‌মিশনারকে হেনস্তা, ক‌মিউ‌নি‌টি‌তে প্রতিক্রিয়া

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৭:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

লন্ড‌নে সোমবার (১৭ নভেম্বর) স্থানীয় সময় রা‌তে বাংলা‌দেশ সেন্টা‌রে বাংলা‌দেশি হাইক‌মিশনার আবিদা ইসলা‌মের সঙ্গে ত‌র্কে জ‌ড়ি‌য়ে তা‌কে অপদস্থ কর‌ার ঘটনা ঘ‌টে‌ছে। প‌রে পুলিশ ঘটনাস্থ‌লে যায়। লন্ড‌নের ম‌তো জায়গায় কিছু বাংলা‌দেশীর এমন কর্মকান্ড বাংলা‌দেশী ক‌মিউ‌নি‌টির জন‌্য বিব্রতকর ও নিঃস‌ন্দে‌হে নেতিবাচক ব‌লে মন্তব‌্য ক‌রে‌ছেন অনেকে।

এ বিব্রতকর ঘটনার মধ‌্য দি‌য়ে যুক্তরা‌জ্যে বাংলা‌দেশী‌দের গ‌র্বের স্মারক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সেন্টারের কতৃত্ব নি‌য়ে  দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব আবারও সাম‌নে এল।

সংশ্লিষ্ট পক্ষগু‌লোর সঙ্গে আলাপকা‌লে জানা গে‌ছে, বি‌রোধ নিরস‌নে সোমবার রা‌তে উত্তর লন্ডনের কেনসিংটনে সেন্টারের নিজস্ব ভবনে সেন্টা‌রের ব‌্যবস্থাপনা ক‌মি‌টির সভা ডাকেন লন্ডনস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের হাইকমিশনার ও সেন্টারের চেয়ারম্যান আবিদা ইসলাম। সভাস্থলে পৌঁছেই বিব্রতকর অবস্থায় পড়েন তিনি।

ছ‌ড়ি‌য়ে পড়া ভি‌ডিতে দেখা যায়, আবিদা ইসলামকে ঘি‌রে ধ‌রে প্রশ্ন ও অভি‌যো‌গে জর্জরিত কর‌তে দেখা গে‌লেও ,তাকে কথাই বলতে দেওয়া হচ্ছিল না। প‌রে ভব‌নের বাই‌রে দু‌টি প‌ক্ষের ম‌ধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনাও ঘ‌টে।

লন্ড‌নের ম‌তো জায়গায় কিছু বাংলা‌দেশী‌দের এমন কর্মকান্ড বাংলা‌দেশী ক‌মিউ‌নি‌টির জন‌্য বিব্রতকর ও নিঃস‌ন্দে‌হে নে‌তিবাচক ও লজ্জাজনক ব‌লে মন্তব‌্য ক‌রে‌ছেন অনেকে।

সেন্টারটি ইস্ট লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটস এলাকায় অবস্থিত, যা ব্রিটিশ বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রাণকেন্দ্র। এই এলাকাটি ১৯২০-এর দশক থেকে বাঙালি বংশোদ্ভূতদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বসতি হিসেবে পরিচিত এবং ১৯৭১ সালের বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের পর এর পরিধি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বাংলাদেশ সেন্টারে প্রবেশের পরই আবিদা ইসলামের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন সেন্টারের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আহমেদ বেবুলসহ বর্তমান কমিটির কয়েকজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি। তা রেকর্ড কর‌তে শুরু ক‌রেন বেশ ক‌য়েকজন।

হাইকমিশনার সভাস্থ‌লে এমন আক্রমনাত্বক কথাবার্তা রেকর্ড করা সম্পর্কে জানতে চাইলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। হট্টগোলের কারণে উপ‌স্থিত সংবাদকর্মী‌দের  সঙ্গে তিনি কথা বলতে চাইলেও তীব্র হট্ট‌গো‌লের কার‌নে বক্তব্য দিতে না পেরে সেন্টার ত্যাগ করেন। এসময় তার সঙ্গে আসা হাইকমিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও নির্বাচিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার বল‌য়ের ক‌য়েকজ‌নের তর্ক-বিতর্ক হয়।

ভি‌ডিওতে দেখা যায়, দেলোয়ার বল‌য়ের নেতারা হাইকমিশনের  এক কর্মকর্তা দেশে গেলে “দেখে নেওয়া হবে” বলে হুমকি দিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে হাইকমিশনের আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বিকেল চারটায় হাইকমিশনের তরফ থেকে একটি প্রেস কনফারেন্স ডাকা হয়েছে। সেখানেই এসব বিষয়ে পরিষ্কার করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

ঘটনার প্রায় বিশ মিনিট পর পুলিশের একটি দলের উপস্থিতিতে হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম পুনরায় সেন্টারে ফিরে আসেন এবং দেলোয়ার হোসেনসহ সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য শোনেন।

তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় আবিদা ইসলাম সাংবা‌দিক‌দের বলেন, বাংলাদেশ সেন্টারকে ঘিরে যে বিভেদ তৈরি হয়েছে, তা দ্রুত নিরসনে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।

তিনি জানান, আগামী ২৬ নভেম্বর বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। সে কারণে সেন্টারে নতুন নির্বাচন আয়োজন জরুরি হয়ে পড়েছে।

এদি‌কে মঙ্গলবার দুপু‌রে এ ব‌্যাপা‌রে বাংলা ট্রিবিউ‌নের পক্ষ থে‌কে আবিদা ইসলামের সঙ্গে যোগা‌যোগের চেষ্টা কর‌লে জানানো হয়, তি‌নি কমনও‌য়েল‌থের এক‌টি মি‌টিংয়ে আছেন। বিকা‌লে সংবাদ স‌ন্মেল‌নে বিস্তা‌রিত জানা‌বেন।

এ ব‌্যাপা‌রে লন্ডনস্থ বাংলা‌দেশ হাইক‌মিশ‌নের প্রেস মি‌নিষ্টার আকবর হো‌সেন বাংলা ট্রিবিউন‌কে ব‌লেন, হাইক‌মিশনার যে‌হেতু সংবাদ স‌ন্মেলন কর‌বেন, সেখা‌নেই তি‌নি কথা বল‌বেন।

গতকালের ঘটনার বিষয়ে বাংলাদেশ সেন্টারের একাংশের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন সাংবা‌দিক‌দের সঙ্গে আলাপকা‌লে হাইকমিশনার আবিদা ইসলামের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্ব করার অভিযোগ তোলেন। তি‌নি সাংবাদিক‌দের ব‌লেন, আগামী ২৬ নভেম্বর বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হতে চললেও চলতি বছরের ৯ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশ সেন্টারের এক সাধারণ সভায় সংগঠনের সাধারণ সদস্যরা কন্ঠভোটে বর্তমান কমিটির মেয়াদ এক বছর বাড়িয়ে দিয়েছেন। সুতরাং বর্তমান পরিস্থিতিতে হাইকমিশনারের কথায় কোনও নির্বাচন নয়, বরং আমরা কাউন্সিল অব ম্যানেজমেন্টের সভা ডেকে পরবর্তী করনীয় এবং গঠনতন্ত্র সংশোধনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবো। তারপর নির্বাচন হবে।

এদিকে অপর পক্ষের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শহীদুর রহমান সাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে গতকালের ঘটনায় নিন্দা জানানো হয় এবং এই পরিস্থিতির জন্য দখলদার পক্ষ‌কে করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু, শোকস্তব্ধ এলাকাবাসী

লন্ড‌নে বাংলা‌দে‌শের হাই-ক‌মিশনারকে হেনস্তা, ক‌মিউ‌নি‌টি‌তে প্রতিক্রিয়া

আপডেট সময় : ১১:০৭:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫

লন্ড‌নে সোমবার (১৭ নভেম্বর) স্থানীয় সময় রা‌তে বাংলা‌দেশ সেন্টা‌রে বাংলা‌দেশি হাইক‌মিশনার আবিদা ইসলা‌মের সঙ্গে ত‌র্কে জ‌ড়ি‌য়ে তা‌কে অপদস্থ কর‌ার ঘটনা ঘ‌টে‌ছে। প‌রে পুলিশ ঘটনাস্থ‌লে যায়। লন্ড‌নের ম‌তো জায়গায় কিছু বাংলা‌দেশীর এমন কর্মকান্ড বাংলা‌দেশী ক‌মিউ‌নি‌টির জন‌্য বিব্রতকর ও নিঃস‌ন্দে‌হে নেতিবাচক ব‌লে মন্তব‌্য ক‌রে‌ছেন অনেকে।

এ বিব্রতকর ঘটনার মধ‌্য দি‌য়ে যুক্তরা‌জ্যে বাংলা‌দেশী‌দের গ‌র্বের স্মারক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সেন্টারের কতৃত্ব নি‌য়ে  দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব আবারও সাম‌নে এল।

সংশ্লিষ্ট পক্ষগু‌লোর সঙ্গে আলাপকা‌লে জানা গে‌ছে, বি‌রোধ নিরস‌নে সোমবার রা‌তে উত্তর লন্ডনের কেনসিংটনে সেন্টারের নিজস্ব ভবনে সেন্টা‌রের ব‌্যবস্থাপনা ক‌মি‌টির সভা ডাকেন লন্ডনস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের হাইকমিশনার ও সেন্টারের চেয়ারম্যান আবিদা ইসলাম। সভাস্থলে পৌঁছেই বিব্রতকর অবস্থায় পড়েন তিনি।

ছ‌ড়ি‌য়ে পড়া ভি‌ডিতে দেখা যায়, আবিদা ইসলামকে ঘি‌রে ধ‌রে প্রশ্ন ও অভি‌যো‌গে জর্জরিত কর‌তে দেখা গে‌লেও ,তাকে কথাই বলতে দেওয়া হচ্ছিল না। প‌রে ভব‌নের বাই‌রে দু‌টি প‌ক্ষের ম‌ধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনাও ঘ‌টে।

লন্ড‌নের ম‌তো জায়গায় কিছু বাংলা‌দেশী‌দের এমন কর্মকান্ড বাংলা‌দেশী ক‌মিউ‌নি‌টির জন‌্য বিব্রতকর ও নিঃস‌ন্দে‌হে নে‌তিবাচক ও লজ্জাজনক ব‌লে মন্তব‌্য ক‌রে‌ছেন অনেকে।

সেন্টারটি ইস্ট লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটস এলাকায় অবস্থিত, যা ব্রিটিশ বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রাণকেন্দ্র। এই এলাকাটি ১৯২০-এর দশক থেকে বাঙালি বংশোদ্ভূতদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বসতি হিসেবে পরিচিত এবং ১৯৭১ সালের বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের পর এর পরিধি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বাংলাদেশ সেন্টারে প্রবেশের পরই আবিদা ইসলামের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন সেন্টারের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আহমেদ বেবুলসহ বর্তমান কমিটির কয়েকজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি। তা রেকর্ড কর‌তে শুরু ক‌রেন বেশ ক‌য়েকজন।

হাইকমিশনার সভাস্থ‌লে এমন আক্রমনাত্বক কথাবার্তা রেকর্ড করা সম্পর্কে জানতে চাইলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। হট্টগোলের কারণে উপ‌স্থিত সংবাদকর্মী‌দের  সঙ্গে তিনি কথা বলতে চাইলেও তীব্র হট্ট‌গো‌লের কার‌নে বক্তব্য দিতে না পেরে সেন্টার ত্যাগ করেন। এসময় তার সঙ্গে আসা হাইকমিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও নির্বাচিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার বল‌য়ের ক‌য়েকজ‌নের তর্ক-বিতর্ক হয়।

ভি‌ডিওতে দেখা যায়, দেলোয়ার বল‌য়ের নেতারা হাইকমিশনের  এক কর্মকর্তা দেশে গেলে “দেখে নেওয়া হবে” বলে হুমকি দিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে হাইকমিশনের আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বিকেল চারটায় হাইকমিশনের তরফ থেকে একটি প্রেস কনফারেন্স ডাকা হয়েছে। সেখানেই এসব বিষয়ে পরিষ্কার করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

ঘটনার প্রায় বিশ মিনিট পর পুলিশের একটি দলের উপস্থিতিতে হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম পুনরায় সেন্টারে ফিরে আসেন এবং দেলোয়ার হোসেনসহ সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য শোনেন।

তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় আবিদা ইসলাম সাংবা‌দিক‌দের বলেন, বাংলাদেশ সেন্টারকে ঘিরে যে বিভেদ তৈরি হয়েছে, তা দ্রুত নিরসনে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।

তিনি জানান, আগামী ২৬ নভেম্বর বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। সে কারণে সেন্টারে নতুন নির্বাচন আয়োজন জরুরি হয়ে পড়েছে।

এদি‌কে মঙ্গলবার দুপু‌রে এ ব‌্যাপা‌রে বাংলা ট্রিবিউ‌নের পক্ষ থে‌কে আবিদা ইসলামের সঙ্গে যোগা‌যোগের চেষ্টা কর‌লে জানানো হয়, তি‌নি কমনও‌য়েল‌থের এক‌টি মি‌টিংয়ে আছেন। বিকা‌লে সংবাদ স‌ন্মেল‌নে বিস্তা‌রিত জানা‌বেন।

এ ব‌্যাপা‌রে লন্ডনস্থ বাংলা‌দেশ হাইক‌মিশ‌নের প্রেস মি‌নিষ্টার আকবর হো‌সেন বাংলা ট্রিবিউন‌কে ব‌লেন, হাইক‌মিশনার যে‌হেতু সংবাদ স‌ন্মেলন কর‌বেন, সেখা‌নেই তি‌নি কথা বল‌বেন।

গতকালের ঘটনার বিষয়ে বাংলাদেশ সেন্টারের একাংশের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন সাংবা‌দিক‌দের সঙ্গে আলাপকা‌লে হাইকমিশনার আবিদা ইসলামের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্ব করার অভিযোগ তোলেন। তি‌নি সাংবাদিক‌দের ব‌লেন, আগামী ২৬ নভেম্বর বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হতে চললেও চলতি বছরের ৯ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশ সেন্টারের এক সাধারণ সভায় সংগঠনের সাধারণ সদস্যরা কন্ঠভোটে বর্তমান কমিটির মেয়াদ এক বছর বাড়িয়ে দিয়েছেন। সুতরাং বর্তমান পরিস্থিতিতে হাইকমিশনারের কথায় কোনও নির্বাচন নয়, বরং আমরা কাউন্সিল অব ম্যানেজমেন্টের সভা ডেকে পরবর্তী করনীয় এবং গঠনতন্ত্র সংশোধনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবো। তারপর নির্বাচন হবে।

এদিকে অপর পক্ষের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শহীদুর রহমান সাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে গতকালের ঘটনায় নিন্দা জানানো হয় এবং এই পরিস্থিতির জন্য দখলদার পক্ষ‌কে করা হয়।