আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক লাফে অনেকটা বেড়েছে। ইরানে মার্কিন বাহিনীর নতুন করে হামলার পর এই মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। তেলের এই চড়া দাম বিশ্ববাজারে মূল্যস্ফীতি এবং দীর্ঘমেয়াদী উচ্চ সুদের হারের আশঙ্কাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। এর প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়েছে মূল্যবান ধাতু স্বর্ণের বাজারে; মঙ্গলবার (২৬ মে) বিশ্ববাজারে সোনার দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে তাৎক্ষণিক স্বর্ণের দাম ১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৫২৪ দশমিক ৭৩ ডলারে। তবে, একই সময়ে জুন মাসে সরবরাহযোগ্য মার্কিন স্বর্ণ ফিউচারসের দাম ০.১ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫২৫ দশমিক ৩০ ডলারে পৌঁছেছে। স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামেও পতন লক্ষ্য করা গেছে। স্পট সিলভারের দাম ২.৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৭৬.১২ ডলারে নেমে এসেছে। প্লাটিনামের দাম ১.১ শতাংশ কমে ১ হাজার ৯৪৫.১৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া প্যালাডিয়ামের দামও ১.৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৩৭৪.৩৫ ডলারে বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে, যুদ্ধ নিরসন এবং হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করার চুক্তি না হওয়ায় মঙ্গলবার এশিয়ার বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড বা অপরিশোধিত তেলের আগাম দাম ২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। দক্ষিণ ইরানে মার্কিন বাহিনীর ‘আত্মরক্ষামূলক’ হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে ‘কয়েক দিন সময় লাগতে পারে’। তবে বিশ্লেষকদের মতে, তার এই মন্তব্য সংঘাত দ্রুত অবসানের আশাকে ক্ষীণ করে দিয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 






















