ঢাকা ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

লিবিয়ার বন্দিদশা থেকে ১৭০ বাংলাদেশির দেশে ফেরা

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এবং বাংলাদেশ দূতাবাসের সমন্বিত প্রচেষ্টায় লিবিয়ার বেনগাজী থেকে ১৭০ জন অনিয়মিত বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। সোমবার (২৫ মে) সকাল ৮টা ৩৫ মিনিটে বুরাক এয়ারের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তারা বাংলাদেশে অবতরণ করেন।

ফেরত আসা এই নাগরিকরা মূলত মানবপাচারকারীদের খপ্পরে পড়ে অবৈধভাবে ইউরোপে প্রবেশের উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় গিয়েছিলেন। সেখানে তারা অপহরণ, নির্যাতন এবং বন্দিদশার শিকার হয়েছিলেন বলে জানা গেছে। লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের নিরলস প্রচেষ্টায় এবং লিবিয়া সরকার ও আইওএম-এর সহযোগিতায় এই প্রত্যাবর্তন সম্ভব হয়েছে।

ঢাকায় পৌঁছানোর পর প্রত্যাবাসিতদের অভ্যর্থনা জানান সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। তাদের অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন বিপদের সম্মুখীন না হন। আইওএম প্রত্যেককে পথখরচ, খাদ্য, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী আশ্রয়ের ব্যবস্থা করে দিয়েছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশিদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং আইওএম একসঙ্গে কাজ করে চলেছে এবং ভবিষ্যতেও এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কোরবানির চামড়া অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে, হতাশ বিক্রেতারা

লিবিয়ার বন্দিদশা থেকে ১৭০ বাংলাদেশির দেশে ফেরা

আপডেট সময় : ০৪:২৮:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এবং বাংলাদেশ দূতাবাসের সমন্বিত প্রচেষ্টায় লিবিয়ার বেনগাজী থেকে ১৭০ জন অনিয়মিত বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। সোমবার (২৫ মে) সকাল ৮টা ৩৫ মিনিটে বুরাক এয়ারের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তারা বাংলাদেশে অবতরণ করেন।

ফেরত আসা এই নাগরিকরা মূলত মানবপাচারকারীদের খপ্পরে পড়ে অবৈধভাবে ইউরোপে প্রবেশের উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় গিয়েছিলেন। সেখানে তারা অপহরণ, নির্যাতন এবং বন্দিদশার শিকার হয়েছিলেন বলে জানা গেছে। লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের নিরলস প্রচেষ্টায় এবং লিবিয়া সরকার ও আইওএম-এর সহযোগিতায় এই প্রত্যাবর্তন সম্ভব হয়েছে।

ঢাকায় পৌঁছানোর পর প্রত্যাবাসিতদের অভ্যর্থনা জানান সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। তাদের অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন বিপদের সম্মুখীন না হন। আইওএম প্রত্যেককে পথখরচ, খাদ্য, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী আশ্রয়ের ব্যবস্থা করে দিয়েছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশিদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং আইওএম একসঙ্গে কাজ করে চলেছে এবং ভবিষ্যতেও এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।