ঢাকা ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

সাবেক মুখ্যমন্ত্রীর পরিবারের বিপুল সম্পত্তির উৎস নিয়ে বিতর্ক

পশ্চিমবঙ্গের সদ্য সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিপুল পরিমাণ জমি ও ফ্ল্যাটের মালিকানা অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। কলকাতার হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটসহ বিভিন্ন এলাকায় তাদের নামে থাকা একাধিক প্লট ও বাড়ির মালিকানা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অতীতেও এই পরিবারের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছিল, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, সরকারি ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের সদস্যরা কালীঘাট, আলিপুর ও চেতলায় অবৈধভাবে জমি ও ফ্ল্যাট হাতিয়ে নিয়েছেন। বিভিন্ন সময় বিরোধী দলের পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত দলিলাদি জনসমক্ষে এনে দাবি করা হয়েছে যে, মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের ঠিকানাকে ব্যবহার করে তার পরিবারের সদস্যরা এসব সম্পত্তি কেনেন। এমনকি সাধারণ মানুষকে উচ্ছেদ করে জমি দখলের মতো গুরুতর অভিযোগও তাদের বিরুদ্ধে রয়েছে।

তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনামলে এই পরিবারের সম্পত্তি অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। বিশেষ করে মুখ্যমন্ত্রীর ভাই ও আত্মীয়দের নামে কেনা এসব সম্পত্তির প্রকৃত উৎস এবং এর পেছনে রাজনৈতিক প্রভাব ছিল কি না, তা নিয়ে জনমনে এখন গভীর সন্দেহ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৫৬ টাকায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে চাকরি, পদ ২৮০টি

সাবেক মুখ্যমন্ত্রীর পরিবারের বিপুল সম্পত্তির উৎস নিয়ে বিতর্ক

আপডেট সময় : ১১:৪৬:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গের সদ্য সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিপুল পরিমাণ জমি ও ফ্ল্যাটের মালিকানা অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। কলকাতার হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটসহ বিভিন্ন এলাকায় তাদের নামে থাকা একাধিক প্লট ও বাড়ির মালিকানা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অতীতেও এই পরিবারের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছিল, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, সরকারি ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের সদস্যরা কালীঘাট, আলিপুর ও চেতলায় অবৈধভাবে জমি ও ফ্ল্যাট হাতিয়ে নিয়েছেন। বিভিন্ন সময় বিরোধী দলের পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত দলিলাদি জনসমক্ষে এনে দাবি করা হয়েছে যে, মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের ঠিকানাকে ব্যবহার করে তার পরিবারের সদস্যরা এসব সম্পত্তি কেনেন। এমনকি সাধারণ মানুষকে উচ্ছেদ করে জমি দখলের মতো গুরুতর অভিযোগও তাদের বিরুদ্ধে রয়েছে।

তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনামলে এই পরিবারের সম্পত্তি অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। বিশেষ করে মুখ্যমন্ত্রীর ভাই ও আত্মীয়দের নামে কেনা এসব সম্পত্তির প্রকৃত উৎস এবং এর পেছনে রাজনৈতিক প্রভাব ছিল কি না, তা নিয়ে জনমনে এখন গভীর সন্দেহ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।