ঢাকা ১০:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

স্পেসএক্সের রকেটে চড়ে মহাকাশে যাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ার নতুন স্যাটেলাইট

মহাকাশ গবেষণায় নিজেদের সক্ষমতা বাড়াতে আরও একটি পৃথিবী পর্যবেক্ষণ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করতে যাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া। যুক্তরাষ্ট্রের ভ্যানডেনবার্গ স্পেস ফোর্স বেস থেকে বিশ্বখ্যাত ধনকুবের ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের ‘ফ্যালকন ৯’ রকেটে করে এই স্যাটেলাইটটি পাঠানো হবে। এটি দক্ষিণ কোরিয়ার চতুর্থ মাঝারি আকারের পর্যবেক্ষণ স্যাটেলাইট।

কোরিয়া অ্যারোস্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (কাসা) জানিয়েছে, প্রায় ৫০০ কেজি ওজনের এই স্যাটেলাইটটির যাবতীয় কারিগরি পরীক্ষা ও জ্বালানি ভরার কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। উৎক্ষেপণের প্রায় দুই ঘণ্টা পর স্যাটেলাইটটি রকেট থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে এবং এর কিছুক্ষণ পরই গ্রাউন্ড স্টেশনের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করবে। এই স্যাটেলাইটে অত্যাধুনিক ক্যামেরা যুক্ত রয়েছে, যা প্রতি তিন দিনে পুরো কোরীয় উপদ্বীপের ছবি ধারণ করতে পারবে।

এই স্যাটেলাইটটি মূলত কৃষি ও বনাঞ্চল পর্যবেক্ষণ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বিশ্লেষণ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যবহার করা হবে। দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, এই মিশনের সফল সমাপ্তি দেশটির মহাকাশ প্রযুক্তিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শাহরাস্তিতে তুচ্ছ ঘটনায় রণক্ষেত্র খিলা বাজার: ১০ দোকান ভাঙচুর, আহত ৮

স্পেসএক্সের রকেটে চড়ে মহাকাশে যাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ার নতুন স্যাটেলাইট

আপডেট সময় : ০৯:০১:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

মহাকাশ গবেষণায় নিজেদের সক্ষমতা বাড়াতে আরও একটি পৃথিবী পর্যবেক্ষণ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করতে যাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া। যুক্তরাষ্ট্রের ভ্যানডেনবার্গ স্পেস ফোর্স বেস থেকে বিশ্বখ্যাত ধনকুবের ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের ‘ফ্যালকন ৯’ রকেটে করে এই স্যাটেলাইটটি পাঠানো হবে। এটি দক্ষিণ কোরিয়ার চতুর্থ মাঝারি আকারের পর্যবেক্ষণ স্যাটেলাইট।

কোরিয়া অ্যারোস্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (কাসা) জানিয়েছে, প্রায় ৫০০ কেজি ওজনের এই স্যাটেলাইটটির যাবতীয় কারিগরি পরীক্ষা ও জ্বালানি ভরার কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। উৎক্ষেপণের প্রায় দুই ঘণ্টা পর স্যাটেলাইটটি রকেট থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে এবং এর কিছুক্ষণ পরই গ্রাউন্ড স্টেশনের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করবে। এই স্যাটেলাইটে অত্যাধুনিক ক্যামেরা যুক্ত রয়েছে, যা প্রতি তিন দিনে পুরো কোরীয় উপদ্বীপের ছবি ধারণ করতে পারবে।

এই স্যাটেলাইটটি মূলত কৃষি ও বনাঞ্চল পর্যবেক্ষণ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বিশ্লেষণ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যবহার করা হবে। দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, এই মিশনের সফল সমাপ্তি দেশটির মহাকাশ প্রযুক্তিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে।