ঢাকা ১২:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে বড় উদ্যোগ: ৫৩৯টি বিদ্যালয়ে হবে আধুনিক অবকাঠামো

সারাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার পরিবেশ আধুনিক ও মানসম্মত করতে বড় ধরনের অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এই প্রকল্পের আওতায় দেশের ৬৪টি জেলার নির্বাচিত ৫৩৯টি বিদ্যালয়ের তালিকায় যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এসব বিদ্যালয়ের তথ্য হালনাগাদ করে প্রত্যয়নপত্র পাঠানোর জন্য জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের অধীনে দেশের ৪৮৮টি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ১১টি সিটি করপোরেশন এলাকার ৫১টি বিদ্যালয়কে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো শ্রেণিকক্ষ সংকট নিরসন, ভবনের আধুনিকায়ন, নিরাপদ স্যানিটেশন ব্যবস্থা এবং বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, প্রকল্পের কাজ চূড়ান্ত করার আগে তথ্যের নির্ভুলতা নিশ্চিত করতে এই যাচাই প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে। আগামী ৫ জুলাইয়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি উন্নত ও আধুনিক শিখন পরিবেশ নিশ্চিত হবে, যা প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৫৬ টাকায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে চাকরি, পদ ২৮০টি

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে বড় উদ্যোগ: ৫৩৯টি বিদ্যালয়ে হবে আধুনিক অবকাঠামো

আপডেট সময় : ১১:১৩:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

সারাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার পরিবেশ আধুনিক ও মানসম্মত করতে বড় ধরনের অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এই প্রকল্পের আওতায় দেশের ৬৪টি জেলার নির্বাচিত ৫৩৯টি বিদ্যালয়ের তালিকায় যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এসব বিদ্যালয়ের তথ্য হালনাগাদ করে প্রত্যয়নপত্র পাঠানোর জন্য জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের অধীনে দেশের ৪৮৮টি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ১১টি সিটি করপোরেশন এলাকার ৫১টি বিদ্যালয়কে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো শ্রেণিকক্ষ সংকট নিরসন, ভবনের আধুনিকায়ন, নিরাপদ স্যানিটেশন ব্যবস্থা এবং বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, প্রকল্পের কাজ চূড়ান্ত করার আগে তথ্যের নির্ভুলতা নিশ্চিত করতে এই যাচাই প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে। আগামী ৫ জুলাইয়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি উন্নত ও আধুনিক শিখন পরিবেশ নিশ্চিত হবে, যা প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।