উত্তর কোরিয়ায় নাগরিকদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে কঠোর আইনের প্রয়োগ নতুন কিছু নয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দেশটিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ধরনে বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এখন আর কেবল সহিংস অপরাধ নয়, বরং বাইরের বিশ্বের সংস্কৃতি বা তথ্য জানার অপরাধেও নাগরিকদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হচ্ছে।
সিউলভিত্তিক একটি মানবাধিকার সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, কিম জং উনের শাসনামলে কয়েকশ মানুষের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। বিশেষ করে করোনা মহামারি পরবর্তী সময়ে এই প্রবণতা আরও বেড়েছে। বর্তমানে কিম প্রশাসনের কাছে সবচেয়ে বড় আশঙ্কার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার নাটক, গান বা বিদেশি সংস্কৃতির প্রভাব। উত্তর কোরিয়ার সাধারণ মানুষ যখন বাইরের দুনিয়ার জীবনযাত্রার সাথে নিজেদের জীবনের তুলনা করতে শুরু করে, তখন তা শাসকগোষ্ঠীর জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়ায়।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সীমান্ত বন্ধ করে দিয়ে তথ্যের প্রবাহ আটকে রাখার চেষ্টা করছে পিয়ংইয়ং। সামান্য রাজনৈতিক ভিন্নমত পোষণ বা ধর্মচর্চার অপরাধেও নাগরিকদের কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। বিশ্বমঞ্চে পারমাণবিক শক্তির আস্ফালন দেখালেও দেশের অভ্যন্তরে জনগণের মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তন নিয়ে কিম জং উন চরম উৎকণ্ঠায় রয়েছেন বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
রিপোর্টারের নাম 

























