ঢাকা ১১:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

সান দিয়াগোর মসজিদে বন্দুকধারীর তাণ্ডব: নিহত ৩, প্রাণ গেছে দুই হামলাকারীরও

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সান দিয়াগোর একটি মসজিদে ভয়াবহ বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন। পুলিশের গুলিতে নয়, বরং নিজেদের গুলিতেই দুই হামলাকারী কিশোরের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এই ঘটনাকে ‘বিদ্বেষমূলক অপরাধ’ হিসেবে বিবেচনা করে তদন্ত শুরু করেছে।

জানা গেছে, সোমবার সকালে যখন পুলিশ অন্য একটি ঘটনার তদন্তে নিয়োজিত ছিল, ঠিক তখনই এই হামলার ঘটনা ঘটে। হামলাকারীরা ১৭ ও ১৮ বছর বয়সী দুই কিশোর। তারা সাধারণ মানুষের ওপর গুলি চালানোর পর নিজেদের ওপরও গুলি চালায়। পরে পুলিশ মসজিদ থেকে কিছুটা দূরে একটি গাড়ির ভেতর থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতদের মধ্যে ওই মসজিদের একজন নিরাপত্তাকর্মীও রয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, তিনি সাহসিকতার সাথে হামলাকারীদের বাধা না দিলে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারত। বর্তমানে মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই এই ঘটনার বিস্তারিত ছায়া তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে এক হামলাকারীর কাছ থেকে কিছু ঘৃণামূলক নথিপত্র উদ্ধার করা হয়েছে, যা থেকে ধারণা করা হচ্ছে ধর্মীয় বিদ্বেষ থেকেই এই হামলা চালানো হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গোপালগঞ্জে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত অন্তত ৪০

সান দিয়াগোর মসজিদে বন্দুকধারীর তাণ্ডব: নিহত ৩, প্রাণ গেছে দুই হামলাকারীরও

আপডেট সময় : ১০:৪৬:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সান দিয়াগোর একটি মসজিদে ভয়াবহ বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন। পুলিশের গুলিতে নয়, বরং নিজেদের গুলিতেই দুই হামলাকারী কিশোরের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এই ঘটনাকে ‘বিদ্বেষমূলক অপরাধ’ হিসেবে বিবেচনা করে তদন্ত শুরু করেছে।

জানা গেছে, সোমবার সকালে যখন পুলিশ অন্য একটি ঘটনার তদন্তে নিয়োজিত ছিল, ঠিক তখনই এই হামলার ঘটনা ঘটে। হামলাকারীরা ১৭ ও ১৮ বছর বয়সী দুই কিশোর। তারা সাধারণ মানুষের ওপর গুলি চালানোর পর নিজেদের ওপরও গুলি চালায়। পরে পুলিশ মসজিদ থেকে কিছুটা দূরে একটি গাড়ির ভেতর থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতদের মধ্যে ওই মসজিদের একজন নিরাপত্তাকর্মীও রয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, তিনি সাহসিকতার সাথে হামলাকারীদের বাধা না দিলে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারত। বর্তমানে মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই এই ঘটনার বিস্তারিত ছায়া তদন্ত শুরু করেছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে এক হামলাকারীর কাছ থেকে কিছু ঘৃণামূলক নথিপত্র উদ্ধার করা হয়েছে, যা থেকে ধারণা করা হচ্ছে ধর্মীয় বিদ্বেষ থেকেই এই হামলা চালানো হয়েছে।