ঢাকা ১১:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর আরাকান আর্মির নৃশংস হত্যাযজ্ঞ: প্রকাশ্যে এলো লোমহর্ষক বর্ণনা

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর আরাকান আর্মির বর্বরোচিত গণহত্যার ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে এক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার প্রতিবেদনে। ২০২৪ সালের মে মাসে উত্তর রাখাইনের বুথিডং শহরের উইরান গ্রামে চালানো এই হামলায় অন্তত ১৭০ জন রোহিঙ্গা পুরুষ, নারী ও শিশুকে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে। প্রাণভয়ে পালিয়ে আসা প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে সেই নারকীয় ঘটনার লোমহর্ষক তথ্য।

বেঁচে ফেরা ব্যক্তিরা জানান, হামলার পর গ্রামগুলো জনশূন্য ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। ধানক্ষেত এবং ঝোপঝাড়ের মধ্যে স্তূপীকৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে মানুষের কঙ্কাল ও খুলি। আরাকান আর্মি এবং মিয়ানমার সেনাবাহিনীর মধ্যকার সংঘর্ষের মাঝে পড়ে সাধারণ মানুষ যখন পালানোর চেষ্টা করছিল, তখনই বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে নির্বিচারে গুলি চালানো হয়।

কঠোর সামরিক বিধিনিষেধ এবং দুর্গম পরিস্থিতির কারণে এই গণহত্যার খবরটি বিশ্ববাসীর সামনে আসতে দীর্ঘ সময় লেগেছে। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া শরণার্থীরা জানিয়েছেন, সেখানে কেবল হত্যাযজ্ঞই চালানো হয়নি, বরং প্রতিটি বাড়ি থেকে গবাদিপশু ও মূল্যবান সামগ্রী লুট করা হয়েছে। রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং আঞ্চলিক দেশগুলোকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গোপালগঞ্জে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত অন্তত ৪০

রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর আরাকান আর্মির নৃশংস হত্যাযজ্ঞ: প্রকাশ্যে এলো লোমহর্ষক বর্ণনা

আপডেট সময় : ০৭:৩৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর আরাকান আর্মির বর্বরোচিত গণহত্যার ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে এক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার প্রতিবেদনে। ২০২৪ সালের মে মাসে উত্তর রাখাইনের বুথিডং শহরের উইরান গ্রামে চালানো এই হামলায় অন্তত ১৭০ জন রোহিঙ্গা পুরুষ, নারী ও শিশুকে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে। প্রাণভয়ে পালিয়ে আসা প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে সেই নারকীয় ঘটনার লোমহর্ষক তথ্য।

বেঁচে ফেরা ব্যক্তিরা জানান, হামলার পর গ্রামগুলো জনশূন্য ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। ধানক্ষেত এবং ঝোপঝাড়ের মধ্যে স্তূপীকৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে মানুষের কঙ্কাল ও খুলি। আরাকান আর্মি এবং মিয়ানমার সেনাবাহিনীর মধ্যকার সংঘর্ষের মাঝে পড়ে সাধারণ মানুষ যখন পালানোর চেষ্টা করছিল, তখনই বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে নির্বিচারে গুলি চালানো হয়।

কঠোর সামরিক বিধিনিষেধ এবং দুর্গম পরিস্থিতির কারণে এই গণহত্যার খবরটি বিশ্ববাসীর সামনে আসতে দীর্ঘ সময় লেগেছে। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া শরণার্থীরা জানিয়েছেন, সেখানে কেবল হত্যাযজ্ঞই চালানো হয়নি, বরং প্রতিটি বাড়ি থেকে গবাদিপশু ও মূল্যবান সামগ্রী লুট করা হয়েছে। রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং আঞ্চলিক দেশগুলোকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো।