ঢাকা ১১:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

সৌদি আরবের প্রতিরক্ষায় এক স্কোয়াড্রন যুদ্ধবিমান ও ৮ হাজার সেনা পাঠালো পাকিস্তান

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার মধ্যে সৌদি আরবের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় দেশটিতে এক স্কোয়াড্রন যুদ্ধবিমান এবং ৮ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে পাকিস্তান। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার উত্তপ্ত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে রিয়াদের জন্য এই শক্তিশালী সামরিক সহায়তা পাঠানোর বিষয়টি আন্তর্জাতিক মহলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, এই বাহিনীর মূল লক্ষ্য হলো সৌদি আরবের ওপর সম্ভাব্য যেকোনো হামলা মোকাবিলায় সরাসরি সহায়তা করা। মোতায়েন করা সামরিক সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে চীনের সহযোগিতায় তৈরি ১৬টি জেএফ-১৭ থান্ডার ফাইটার জেট, দুটি ড্রোন স্কোয়াড্রন এবং চীনের তৈরি এইচকিউ-৯ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। যদিও পাকিস্তান বা সৌদি আরবের সরকারি পর্যায় থেকে এই মোতায়েন নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

গত বছর স্বাক্ষরিত এক অত্যন্ত গোপনীয় প্রতিরক্ষা চুক্তির ভিত্তিতে এই সামরিক সহযোগিতা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, দুই দেশের যেকোনো এক পক্ষ আক্রান্ত হলে অন্য পক্ষ তার সহায়তায় এগিয়ে আসতে বাধ্য থাকবে। পাকিস্তানের নীতিনির্ধারকরা এর আগে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, এই চুক্তির মাধ্যমে সৌদি আরব মূলত পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বলয়ের ছায়াতলে অবস্থান করছে।

বর্তমানে মোতায়েন করা এই ৮ হাজার সেনার পাশাপাশি আরও সৈন্য পাঠানোর প্রতিশ্রুতি রয়েছে ইসলামাবাদের। যদিও প্রাথমিকভাবে এই বাহিনীকে উপদেষ্টা ও প্রশিক্ষণমূলক কাজে ব্যবহারের কথা বলা হচ্ছে, তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় তারা যেকোনো সরাসরি যুদ্ধে অংশ নিতে সক্ষম। এই বিশাল সামরিক অভিযানের সমস্ত ব্যয়ভার সৌদি আরব বহন করছে বলে জানা গেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে বড় উদ্যোগ: ৫৩৯টি বিদ্যালয়ে হবে আধুনিক অবকাঠামো

সৌদি আরবের প্রতিরক্ষায় এক স্কোয়াড্রন যুদ্ধবিমান ও ৮ হাজার সেনা পাঠালো পাকিস্তান

আপডেট সময় : ১০:২১:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার মধ্যে সৌদি আরবের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় দেশটিতে এক স্কোয়াড্রন যুদ্ধবিমান এবং ৮ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে পাকিস্তান। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার উত্তপ্ত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে রিয়াদের জন্য এই শক্তিশালী সামরিক সহায়তা পাঠানোর বিষয়টি আন্তর্জাতিক মহলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, এই বাহিনীর মূল লক্ষ্য হলো সৌদি আরবের ওপর সম্ভাব্য যেকোনো হামলা মোকাবিলায় সরাসরি সহায়তা করা। মোতায়েন করা সামরিক সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে চীনের সহযোগিতায় তৈরি ১৬টি জেএফ-১৭ থান্ডার ফাইটার জেট, দুটি ড্রোন স্কোয়াড্রন এবং চীনের তৈরি এইচকিউ-৯ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। যদিও পাকিস্তান বা সৌদি আরবের সরকারি পর্যায় থেকে এই মোতায়েন নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

গত বছর স্বাক্ষরিত এক অত্যন্ত গোপনীয় প্রতিরক্ষা চুক্তির ভিত্তিতে এই সামরিক সহযোগিতা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, দুই দেশের যেকোনো এক পক্ষ আক্রান্ত হলে অন্য পক্ষ তার সহায়তায় এগিয়ে আসতে বাধ্য থাকবে। পাকিস্তানের নীতিনির্ধারকরা এর আগে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, এই চুক্তির মাধ্যমে সৌদি আরব মূলত পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বলয়ের ছায়াতলে অবস্থান করছে।

বর্তমানে মোতায়েন করা এই ৮ হাজার সেনার পাশাপাশি আরও সৈন্য পাঠানোর প্রতিশ্রুতি রয়েছে ইসলামাবাদের। যদিও প্রাথমিকভাবে এই বাহিনীকে উপদেষ্টা ও প্রশিক্ষণমূলক কাজে ব্যবহারের কথা বলা হচ্ছে, তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় তারা যেকোনো সরাসরি যুদ্ধে অংশ নিতে সক্ষম। এই বিশাল সামরিক অভিযানের সমস্ত ব্যয়ভার সৌদি আরব বহন করছে বলে জানা গেছে।