ঢাকা ০৯:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি: আলোচনা ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে প্রস্তুত তেহরান

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, যদি আলোচনা কোনো গ্রহণযোগ্য ফলাফলে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়, তবে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পুনরায় সরাসরি সামরিক সংঘাতে জড়াতে প্রস্তুত। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এই তথ্য জানিয়েছে।

আরাঘচি দেশি ও বিদেশি কূটনীতিকদের উদ্দেশ্যে দেওয়া এক বক্তব্যে সতর্ক করে বলেন, ইরান ও ইসরায়েলের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ এই অঞ্চলের যে ক্ষতি করেছে, তা কেবল সেখানেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং আমেরিকার সাধারণ পরিবারগুলোকেও মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই সংঘাতের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি খরচ এবং মূল্যস্ফীতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে বিশ্বের তেল ও গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহনের প্রধান পথ হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে আরাঘচি লিখেছেন, আমেরিকানদের বোঝানো হচ্ছে যে ইরানের ওপর চাপানো যুদ্ধের এই আকাশচুম্বী খরচ তাদের মেনে নিতে হবে। তিনি মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের ক্রমবর্ধমান মুনাফার হারের একটি ছবিও পোস্টের সঙ্গে জুড়ে দেন।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ওপর জোর দিয়ে আরও বলেন যে, গ্যাসের দাম বৃদ্ধি এবং শেয়ার বাজারের বুদবুদকে বাদ দিলেও আসল সংকট শুরু হবে যখন মার্কিন ঋণ এবং বন্ধকী ঋণের সুদের হার লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকবে। ইতোমধ্যেই সেখানে গাড়ি ঋণের কিস্তি খেলাপি হওয়ার হার গত ৩০ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা দেশটির অর্থনীতির নাজুক অবস্থার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্পেসএক্সের রকেটে চড়ে মহাকাশে যাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ার নতুন স্যাটেলাইট

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি: আলোচনা ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে প্রস্তুত তেহরান

আপডেট সময় : ১০:১৫:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, যদি আলোচনা কোনো গ্রহণযোগ্য ফলাফলে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়, তবে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পুনরায় সরাসরি সামরিক সংঘাতে জড়াতে প্রস্তুত। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এই তথ্য জানিয়েছে।

আরাঘচি দেশি ও বিদেশি কূটনীতিকদের উদ্দেশ্যে দেওয়া এক বক্তব্যে সতর্ক করে বলেন, ইরান ও ইসরায়েলের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ এই অঞ্চলের যে ক্ষতি করেছে, তা কেবল সেখানেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং আমেরিকার সাধারণ পরিবারগুলোকেও মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই সংঘাতের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি খরচ এবং মূল্যস্ফীতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে বিশ্বের তেল ও গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহনের প্রধান পথ হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে আরাঘচি লিখেছেন, আমেরিকানদের বোঝানো হচ্ছে যে ইরানের ওপর চাপানো যুদ্ধের এই আকাশচুম্বী খরচ তাদের মেনে নিতে হবে। তিনি মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের ক্রমবর্ধমান মুনাফার হারের একটি ছবিও পোস্টের সঙ্গে জুড়ে দেন।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ওপর জোর দিয়ে আরও বলেন যে, গ্যাসের দাম বৃদ্ধি এবং শেয়ার বাজারের বুদবুদকে বাদ দিলেও আসল সংকট শুরু হবে যখন মার্কিন ঋণ এবং বন্ধকী ঋণের সুদের হার লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকবে। ইতোমধ্যেই সেখানে গাড়ি ঋণের কিস্তি খেলাপি হওয়ার হার গত ৩০ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা দেশটির অর্থনীতির নাজুক অবস্থার ইঙ্গিত দিচ্ছে।