ঢাকা ১০:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

দুই হাত নেই, অদম্য ইচ্ছাশক্তিতে পা দিয়ে লিখে মাস্টার্স জয় করলেন নিলা

শারীরিক সীমাবদ্ধতা যে মানুষের স্বপ্নের পথে বাধা হতে পারে না, তার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার নিলা খাতুন। জন্ম থেকেই তার দুটি হাত নেই, কিন্তু তাতে কী? অদম্য মেধা আর ইস্পাতকঠিন সংকল্প নিয়ে তিনি পা দিয়ে লিখে কামিল (মাস্টার্স) সম্পন্ন করেছেন। এখন তার একমাত্র স্বপ্ন একটি সম্মানজনক চাকরি করে পরিবারের হাল ধরা।

সিরাজগঞ্জের চরবরধুল গ্রামের এই লড়াকু নারী শৈশব থেকেই নিজের সব কাজ পায়ের সাহায্যে করতে অভ্যস্ত। পড়াশোনার প্রতি প্রবল আগ্রহ থেকে তিনি মাদরাসা শিক্ষায় দাখিল, আলিম ও ফাজিল শেষ করে আহমেদ কামিল মাদরাসা থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। নিলা জানান, তিনি নিজেকে কখনো অক্ষম ভাবেননি এবং নিজের যোগ্যতায় সামনে এগিয়ে যেতে চান।

নিলার এই সাফল্য শুধু তার পরিবারের জন্যই নয়, বরং সমাজের সকল মানুষের জন্য এক বড় অনুপ্রেরণা। স্থানীয় এলাকাবাসী ও প্রতিবেশীরা নিলার এই অদম্য যাত্রায় মুগ্ধ। এখন প্রয়োজন কেবল একটু সরকারি সহযোগিতা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ, যাতে তিনি দেশের উন্নয়নে নিজের অবদান রাখতে পারেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্পেসএক্সের রকেটে চড়ে মহাকাশে যাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ার নতুন স্যাটেলাইট

দুই হাত নেই, অদম্য ইচ্ছাশক্তিতে পা দিয়ে লিখে মাস্টার্স জয় করলেন নিলা

আপডেট সময় : ০৮:৫৯:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

শারীরিক সীমাবদ্ধতা যে মানুষের স্বপ্নের পথে বাধা হতে পারে না, তার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার নিলা খাতুন। জন্ম থেকেই তার দুটি হাত নেই, কিন্তু তাতে কী? অদম্য মেধা আর ইস্পাতকঠিন সংকল্প নিয়ে তিনি পা দিয়ে লিখে কামিল (মাস্টার্স) সম্পন্ন করেছেন। এখন তার একমাত্র স্বপ্ন একটি সম্মানজনক চাকরি করে পরিবারের হাল ধরা।

সিরাজগঞ্জের চরবরধুল গ্রামের এই লড়াকু নারী শৈশব থেকেই নিজের সব কাজ পায়ের সাহায্যে করতে অভ্যস্ত। পড়াশোনার প্রতি প্রবল আগ্রহ থেকে তিনি মাদরাসা শিক্ষায় দাখিল, আলিম ও ফাজিল শেষ করে আহমেদ কামিল মাদরাসা থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। নিলা জানান, তিনি নিজেকে কখনো অক্ষম ভাবেননি এবং নিজের যোগ্যতায় সামনে এগিয়ে যেতে চান।

নিলার এই সাফল্য শুধু তার পরিবারের জন্যই নয়, বরং সমাজের সকল মানুষের জন্য এক বড় অনুপ্রেরণা। স্থানীয় এলাকাবাসী ও প্রতিবেশীরা নিলার এই অদম্য যাত্রায় মুগ্ধ। এখন প্রয়োজন কেবল একটু সরকারি সহযোগিতা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ, যাতে তিনি দেশের উন্নয়নে নিজের অবদান রাখতে পারেন।