ঢাকা ০৮:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

ফিলিস্তিনের ক্ষমতায় কি এবার মাহমুদ আব্বাসের ছেলে? গুঞ্জন তুঙ্গে

ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস তার উত্তরসূরি হিসেবে নিজের ছেলে ইয়াসির আব্বাসকে ক্ষমতাসীন দল ফাতাহর শীর্ষ নেতৃত্বে নিয়ে আসার তোড়জোড় শুরু করেছেন। ফিলিস্তিনি প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ৯০ বছর বয়সী আব্বাস তার রাজনৈতিক প্রভাব বজায় রাখতে পরিবারতন্ত্রের এই পথ বেছে নিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে আব্বাসের কার্যালয় বা ইয়াসির আব্বাসের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

২০০৫ সাল থেকে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের নেতৃত্বে থাকা মাহমুদ আব্বাসের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই একচ্ছত্র ক্ষমতা কুক্ষিগত করার অভিযোগ রয়েছে। ২০০৯ সালে তার মেয়াদ শেষ হলেও বিভিন্ন অজুহাতে তিনি নির্বাচন স্থগিত করে রেখেছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক নেতাদের সরিয়ে দেওয়া এবং বিচার বিভাগকে নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখার মাধ্যমে তিনি দীর্ঘকাল ক্ষমতায় টিকে আছেন। এমন পরিস্থিতিতে নিজের ছেলেকে নেতৃত্বে আনার প্রচেষ্টা সাধারণ ফিলিস্তিনিদের মধ্যে নতুন করে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক মহলের পক্ষ থেকে যখন ফিলিস্তিনি প্রশাসনে বড় ধরনের সংস্কারের চাপ বাড়ছে, ঠিক তখনই আব্বাসের এই পদক্ষেপ রাজনৈতিক সংকটকে আরও ঘনীভূত করতে পারে। জনগণের আকাঙ্ক্ষা উপেক্ষা করে পরিবারতন্ত্র কায়েমের এই প্রচেষ্টা ফিলিস্তিনের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ তৈরি করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাঁচ মাস পর চালু হলো ইরান ও কাতারের সরাসরি নৌ-বাণিজ্য পথ

ফিলিস্তিনের ক্ষমতায় কি এবার মাহমুদ আব্বাসের ছেলে? গুঞ্জন তুঙ্গে

আপডেট সময় : ০২:০৪:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস তার উত্তরসূরি হিসেবে নিজের ছেলে ইয়াসির আব্বাসকে ক্ষমতাসীন দল ফাতাহর শীর্ষ নেতৃত্বে নিয়ে আসার তোড়জোড় শুরু করেছেন। ফিলিস্তিনি প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ৯০ বছর বয়সী আব্বাস তার রাজনৈতিক প্রভাব বজায় রাখতে পরিবারতন্ত্রের এই পথ বেছে নিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে আব্বাসের কার্যালয় বা ইয়াসির আব্বাসের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

২০০৫ সাল থেকে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের নেতৃত্বে থাকা মাহমুদ আব্বাসের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই একচ্ছত্র ক্ষমতা কুক্ষিগত করার অভিযোগ রয়েছে। ২০০৯ সালে তার মেয়াদ শেষ হলেও বিভিন্ন অজুহাতে তিনি নির্বাচন স্থগিত করে রেখেছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক নেতাদের সরিয়ে দেওয়া এবং বিচার বিভাগকে নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখার মাধ্যমে তিনি দীর্ঘকাল ক্ষমতায় টিকে আছেন। এমন পরিস্থিতিতে নিজের ছেলেকে নেতৃত্বে আনার প্রচেষ্টা সাধারণ ফিলিস্তিনিদের মধ্যে নতুন করে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক মহলের পক্ষ থেকে যখন ফিলিস্তিনি প্রশাসনে বড় ধরনের সংস্কারের চাপ বাড়ছে, ঠিক তখনই আব্বাসের এই পদক্ষেপ রাজনৈতিক সংকটকে আরও ঘনীভূত করতে পারে। জনগণের আকাঙ্ক্ষা উপেক্ষা করে পরিবারতন্ত্র কায়েমের এই প্রচেষ্টা ফিলিস্তিনের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ তৈরি করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।