ঢাকা ০৮:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

১৯ মে বেইজিং সফরে যাচ্ছেন পুতিন: নজরে কৌশলগত সহযোগিতা বৃদ্ধি

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আগামী ১৯ মে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে চীন যাচ্ছেন বলে নিশ্চিত করেছে ক্রেমলিন। এই সফরটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন বৈশ্বিক রাজনীতিতে নানা মেরুকরণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বেইজিং সফরের পরপরই পুতিনের এই সফর ভূ-রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সফরকালে প্রেসিডেন্ট পুতিন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে মিলিত হবেন। বৈঠকে মস্কো ও বেইজিংয়ের মধ্যকার সামগ্রিক অংশীদারিত্ব এবং কৌশলগত সহযোগিতা আরও দৃঢ় করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন মাত্রা যোগ করা এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংকটে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নেওয়ার বিষয়টি এই আলোচনার কেন্দ্রে থাকবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার বর্তমান স্নায়ুযুদ্ধ এবং পশ্চিমা দেশগুলোর সাথে রাশিয়ার সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে রাশিয়া ও চীনের এই নৈকট্য বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। এই সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশ তাদের পারস্পরিক নির্ভরতা এবং বন্ধুত্বের একটি জোরালো বার্তা বিশ্বমঞ্চে দিতে চায়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাঁচ মাস পর চালু হলো ইরান ও কাতারের সরাসরি নৌ-বাণিজ্য পথ

১৯ মে বেইজিং সফরে যাচ্ছেন পুতিন: নজরে কৌশলগত সহযোগিতা বৃদ্ধি

আপডেট সময় : ০২:০১:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আগামী ১৯ মে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে চীন যাচ্ছেন বলে নিশ্চিত করেছে ক্রেমলিন। এই সফরটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন বৈশ্বিক রাজনীতিতে নানা মেরুকরণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বেইজিং সফরের পরপরই পুতিনের এই সফর ভূ-রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সফরকালে প্রেসিডেন্ট পুতিন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে মিলিত হবেন। বৈঠকে মস্কো ও বেইজিংয়ের মধ্যকার সামগ্রিক অংশীদারিত্ব এবং কৌশলগত সহযোগিতা আরও দৃঢ় করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন মাত্রা যোগ করা এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংকটে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নেওয়ার বিষয়টি এই আলোচনার কেন্দ্রে থাকবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার বর্তমান স্নায়ুযুদ্ধ এবং পশ্চিমা দেশগুলোর সাথে রাশিয়ার সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে রাশিয়া ও চীনের এই নৈকট্য বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। এই সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশ তাদের পারস্পরিক নির্ভরতা এবং বন্ধুত্বের একটি জোরালো বার্তা বিশ্বমঞ্চে দিতে চায়।