ঢাকা ০৭:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

গাজায় হামাস কমান্ডারকে হত্যার দাবি করল ইসরায়েল

গাজা উপত্যকায় বিমান হামলা চালিয়ে হামাসের অন্যতম শীর্ষ কমান্ডার ইজ আদ-দিন আল-হাদ্দাদকে হত্যার দাবি করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। ইসরায়েলের দাবি অনুযায়ী, হাদ্দাদ গত ৭ অক্টোবরের হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী ছিলেন। গাজা সিটির একটি আবাসিক ভবনে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে এই হামলা চালানো হয় বলে জানা গেছে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছেন, হাদ্দাদ ইসরায়েলি নাগরিকদের ওপর চালানো বিভিন্ন হামলার জন্য দায়ী ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, আবাসিক ভবনে হামলার পর সেখানে আগুন ধরে যায় এবং পরে একটি গাড়ি লক্ষ্য করে দ্বিতীয় দফায় হামলা চালানো হয়। ধারণা করা হচ্ছে, প্রথম দফায় গুরুতর আহত হওয়ার পর হাদ্দাদকে সরিয়ে নেওয়ার সময় গাড়িটিতে আঘাত হানা হয়।

ইসরায়েল এই সফল অভিযানের কথা জোর দিয়ে বললেও, হামাস বা তাদের সশস্ত্র শাখা কাসাম ব্রিগেডের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চয়তা দেওয়া হয়নি। যুদ্ধবিরতি চলা সত্ত্বেও গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর এ ধরনের সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকায় ওই অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাঁচ মাস পর চালু হলো ইরান ও কাতারের সরাসরি নৌ-বাণিজ্য পথ

গাজায় হামাস কমান্ডারকে হত্যার দাবি করল ইসরায়েল

আপডেট সময় : ১২:৫৬:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

গাজা উপত্যকায় বিমান হামলা চালিয়ে হামাসের অন্যতম শীর্ষ কমান্ডার ইজ আদ-দিন আল-হাদ্দাদকে হত্যার দাবি করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। ইসরায়েলের দাবি অনুযায়ী, হাদ্দাদ গত ৭ অক্টোবরের হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী ছিলেন। গাজা সিটির একটি আবাসিক ভবনে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে এই হামলা চালানো হয় বলে জানা গেছে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছেন, হাদ্দাদ ইসরায়েলি নাগরিকদের ওপর চালানো বিভিন্ন হামলার জন্য দায়ী ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, আবাসিক ভবনে হামলার পর সেখানে আগুন ধরে যায় এবং পরে একটি গাড়ি লক্ষ্য করে দ্বিতীয় দফায় হামলা চালানো হয়। ধারণা করা হচ্ছে, প্রথম দফায় গুরুতর আহত হওয়ার পর হাদ্দাদকে সরিয়ে নেওয়ার সময় গাড়িটিতে আঘাত হানা হয়।

ইসরায়েল এই সফল অভিযানের কথা জোর দিয়ে বললেও, হামাস বা তাদের সশস্ত্র শাখা কাসাম ব্রিগেডের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চয়তা দেওয়া হয়নি। যুদ্ধবিরতি চলা সত্ত্বেও গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর এ ধরনের সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকায় ওই অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।