ঢাকা ০৭:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

নাকবাকে ‘জাতিগত নিধন’ হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দাবি ফিলিস্তিনের

১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিনিদের ওপর চালানো ইসরায়েলি নৃশংসতা ও ব্যাপক বাস্তুচ্যুতির ঘটনাকে ‘জাতিগত নিধন’ হিসেবে স্বীকৃতি দিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছে ফিলিস্তিন। ইতিহাসে ‘নাকবা’ বা ‘মহা-বিপর্যয়’ হিসেবে পরিচিত এই কালো অধ্যায়ে প্রায় ৭ লাখ ফিলিস্তিনিকে তাদের পৈতৃক ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছিল।

শুক্রবার নাকবা দিবস উপলক্ষে ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর এই ঐতিহাসিক অবিচারের প্রভাব বিশ্ববাসীর অনুধাবন করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার এবং দখলদারিত্বের অবসান ঘটিয়ে জেরুসালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের দাবির প্রতি বিশ্ব সংহতির আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে গাজায় চলমান সামরিক অভিযান এবং পশ্চিম তীরে ক্রমবর্ধমান সহিংসতার মাধ্যমে ইসরায়েল মূলত নাকবার সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। ফিলিস্তিনিদের রক্ষায় কেবল মৌখিক আশ্বাস নয়, বরং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত ৭২ হাজারেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন লক্ষাধিক।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাঁচ মাস পর চালু হলো ইরান ও কাতারের সরাসরি নৌ-বাণিজ্য পথ

নাকবাকে ‘জাতিগত নিধন’ হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দাবি ফিলিস্তিনের

আপডেট সময় : ১২:৫৪:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিনিদের ওপর চালানো ইসরায়েলি নৃশংসতা ও ব্যাপক বাস্তুচ্যুতির ঘটনাকে ‘জাতিগত নিধন’ হিসেবে স্বীকৃতি দিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছে ফিলিস্তিন। ইতিহাসে ‘নাকবা’ বা ‘মহা-বিপর্যয়’ হিসেবে পরিচিত এই কালো অধ্যায়ে প্রায় ৭ লাখ ফিলিস্তিনিকে তাদের পৈতৃক ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছিল।

শুক্রবার নাকবা দিবস উপলক্ষে ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর এই ঐতিহাসিক অবিচারের প্রভাব বিশ্ববাসীর অনুধাবন করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার এবং দখলদারিত্বের অবসান ঘটিয়ে জেরুসালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের দাবির প্রতি বিশ্ব সংহতির আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে গাজায় চলমান সামরিক অভিযান এবং পশ্চিম তীরে ক্রমবর্ধমান সহিংসতার মাধ্যমে ইসরায়েল মূলত নাকবার সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। ফিলিস্তিনিদের রক্ষায় কেবল মৌখিক আশ্বাস নয়, বরং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত ৭২ হাজারেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন লক্ষাধিক।