ঢাকা ০৭:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

এশিয়ার জ্বালানি বাজারে আধিপত্য বিস্তারে কানাডার নতুন পাইপলাইন প্রকল্প

এশিয়ার দেশগুলোতে অপরিশোধিত তেল রপ্তানি বাড়াতে বড় ধরনের কৌশলগত পদক্ষেপ নিয়েছে কানাডা। দেশটির প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এবং আলবার্টা প্রদেশের প্রিমিয়ার ড্যানিয়েল স্মিথ সম্প্রতি কার্বন মূল্য নির্ধারণ সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন। এর ফলে এশিয়ার বাজারে তেল পাঠানোর দীর্ঘ প্রতীক্ষিত পাইপলাইন প্রকল্পের প্রধান বাধাটি দূর হলো বলে মনে করা হচ্ছে।

কানাডার এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো জ্বালানি বাণিজ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর একক নির্ভরতা কমিয়ে এশিয়ায় নতুন বাজার তৈরি করা। চুক্তির আওতায় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর কার্বন নিঃসারণের ওপর ধাপে ধাপে কর আরোপ করা হবে, যা ২০৪০ সাল নাগাদ প্রতি টনে ১৩০ কানাডিয়ান ডলারে পৌঁছাবে। প্রধানমন্ত্রী কার্নি জানিয়েছেন, আগামী ১ জুলাইয়ের মধ্যে এই মেগা প্রকল্পের চূড়ান্ত পরিকল্পনা সরকারি দপ্তরে জমা দেওয়া হবে।

তবে এই প্রকল্প ঘিরে অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও পরিবেশবাদী মহলে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে কয়েকটি আদিবাসী গোষ্ঠী এই পাইপলাইন নির্মাণের তীব্র বিরোধিতা করার ঘোষণা দিয়েছে। অন্যদিকে, বিরোধী দলগুলো একে বড় বড় তেল কোম্পানির কাছে সরকারের নতিস্বীকার হিসেবে দেখছে। সব বাধা পেরিয়ে কানাডা এশিয়ায় নিরাপদ ও স্থিতিশীল জ্বালানি অংশীদার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাঁচ মাস পর চালু হলো ইরান ও কাতারের সরাসরি নৌ-বাণিজ্য পথ

এশিয়ার জ্বালানি বাজারে আধিপত্য বিস্তারে কানাডার নতুন পাইপলাইন প্রকল্প

আপডেট সময় : ১১:৪৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

এশিয়ার দেশগুলোতে অপরিশোধিত তেল রপ্তানি বাড়াতে বড় ধরনের কৌশলগত পদক্ষেপ নিয়েছে কানাডা। দেশটির প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এবং আলবার্টা প্রদেশের প্রিমিয়ার ড্যানিয়েল স্মিথ সম্প্রতি কার্বন মূল্য নির্ধারণ সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন। এর ফলে এশিয়ার বাজারে তেল পাঠানোর দীর্ঘ প্রতীক্ষিত পাইপলাইন প্রকল্পের প্রধান বাধাটি দূর হলো বলে মনে করা হচ্ছে।

কানাডার এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো জ্বালানি বাণিজ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর একক নির্ভরতা কমিয়ে এশিয়ায় নতুন বাজার তৈরি করা। চুক্তির আওতায় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর কার্বন নিঃসারণের ওপর ধাপে ধাপে কর আরোপ করা হবে, যা ২০৪০ সাল নাগাদ প্রতি টনে ১৩০ কানাডিয়ান ডলারে পৌঁছাবে। প্রধানমন্ত্রী কার্নি জানিয়েছেন, আগামী ১ জুলাইয়ের মধ্যে এই মেগা প্রকল্পের চূড়ান্ত পরিকল্পনা সরকারি দপ্তরে জমা দেওয়া হবে।

তবে এই প্রকল্প ঘিরে অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও পরিবেশবাদী মহলে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে কয়েকটি আদিবাসী গোষ্ঠী এই পাইপলাইন নির্মাণের তীব্র বিরোধিতা করার ঘোষণা দিয়েছে। অন্যদিকে, বিরোধী দলগুলো একে বড় বড় তেল কোম্পানির কাছে সরকারের নতিস্বীকার হিসেবে দেখছে। সব বাধা পেরিয়ে কানাডা এশিয়ায় নিরাপদ ও স্থিতিশীল জ্বালানি অংশীদার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।