ঢাকা ০৬:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

তাইওয়ান ইস্যুতে ট্রাম্পের কড়া বার্তা: স্বাধীনতা ঘোষণা না করতে সতর্কতা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাইওয়ানকে চীনের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা না করার জন্য কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছেন। বেইজিংয়ে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প স্পষ্টভাবে জানান, তাইওয়ানকে আলাদা কোনো স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা তার নেই।

তাইওয়ানের বর্তমান প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে ইতিপূর্বে দাবি করেছিলেন যে, তারা একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং আলাদা করে স্বাধীনতার ঘোষণার প্রয়োজন নেই। তবে ট্রাম্পের এই সাম্প্রতিক অবস্থান ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের ‘এক চীন’ নীতিরই প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে। ট্রাম্প বলেন, তিনি কোনো পক্ষের হয়েই আগাম প্রতিশ্রুতি দেননি এবং হাজার মাইল দূরে কোনো যুদ্ধে জড়ানোর বিন্দুমাত্র ইচ্ছা তার নেই।

চীন বরাবরই তাইওয়ানকে তাদের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দাবি করে আসছে এবং প্রয়োজনে সামরিক শক্তি ব্যবহারের হুমকিও দিয়ে রেখেছে। প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আলোচনায় ট্রাম্প শান্তি বজায় রাখার ওপর জোর দিলেও, তাইওয়ানকে রক্ষা করার ব্যাপারে সরাসরি কোনো প্রতিশ্রুতি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। ফলে ট্রাম্পের এই বক্তব্য তাইওয়ান ইস্যুতে মার্কিন নীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ফেস দ্যা পিপল’ সম্পাদকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা, তদন্তের নির্দেশ দিলেন আদালত

তাইওয়ান ইস্যুতে ট্রাম্পের কড়া বার্তা: স্বাধীনতা ঘোষণা না করতে সতর্কতা

আপডেট সময় : ১০:৩১:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাইওয়ানকে চীনের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা না করার জন্য কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছেন। বেইজিংয়ে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প স্পষ্টভাবে জানান, তাইওয়ানকে আলাদা কোনো স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা তার নেই।

তাইওয়ানের বর্তমান প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে ইতিপূর্বে দাবি করেছিলেন যে, তারা একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং আলাদা করে স্বাধীনতার ঘোষণার প্রয়োজন নেই। তবে ট্রাম্পের এই সাম্প্রতিক অবস্থান ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের ‘এক চীন’ নীতিরই প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে। ট্রাম্প বলেন, তিনি কোনো পক্ষের হয়েই আগাম প্রতিশ্রুতি দেননি এবং হাজার মাইল দূরে কোনো যুদ্ধে জড়ানোর বিন্দুমাত্র ইচ্ছা তার নেই।

চীন বরাবরই তাইওয়ানকে তাদের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দাবি করে আসছে এবং প্রয়োজনে সামরিক শক্তি ব্যবহারের হুমকিও দিয়ে রেখেছে। প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আলোচনায় ট্রাম্প শান্তি বজায় রাখার ওপর জোর দিলেও, তাইওয়ানকে রক্ষা করার ব্যাপারে সরাসরি কোনো প্রতিশ্রুতি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। ফলে ট্রাম্পের এই বক্তব্য তাইওয়ান ইস্যুতে মার্কিন নীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।