ঢাকা ০৬:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা মোকাবিলায় ভারতের ১ লাখ কোটি ডলারের রিজার্ভ প্রয়োজন: দেবব্রত পাত্র

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বাজারের অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তা মোকাবিলায় ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ অন্তত এক লাখ কোটি ডলারে উন্নীত করার পরামর্শ দিয়েছেন দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার (আরবিআই) সাবেক ডেপুটি গভর্নর মাইকেল দেবব্রত পাত্র। তার মতে, বর্তমানের ৬৯ হাজার কোটি ডলারের রিজার্ভ দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যথেষ্ট নয়।

সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রবন্ধে তিনি উল্লেখ করেন, ভারতের সামনে দুটি বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। প্রথমত, এক বছরের মধ্যে পরিশোধযোগ্য প্রায় ৩৫ হাজার কোটি ডলারের স্বল্পমেয়াদি বৈদেশিক ঋণ। দ্বিতীয়ত, বিদেশি পোর্টফোলিও বিনিয়োগকারীরা যদি হঠাৎ করে বড় অঙ্কের অর্থ প্রত্যাহার করে নেয়, তবে তা সামাল দিতে আরও অন্তত ৬৫ হাজার কোটি ডলারের সুরক্ষা তহবিল প্রয়োজন। এই দুই খাতের ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে রিজার্ভের লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো জরুরি বলে তিনি মনে করেন।

মাইকেল পাত্র আরও সতর্ক করে বলেন, ২০২২-২৩ অর্থবছরের অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গেছে যে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা দ্রুত বাজার থেকে অর্থ সরিয়ে নিতে পারে, যা দেশের মুদ্রার ওপর চাপ সৃষ্টি করে। অধিকাংশ দেশ তাদের রিজার্ভের বড় অংশ মার্কিন ডলারে রাখলেও, ভারতের মতো উদীয়মান অর্থনীতির জন্য নিজস্ব সক্ষমতা বাড়ানো অপরিহার্য। ভবিষ্যতে বড় ধরনের আর্থিক ধাক্কা সামলাতে এখন থেকেই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন এই অর্থনীতিবিদ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তেহরানে খামেনির জানাজায় লাখো মানুষের ঢল, ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে প্রতিশোধের ডাক

বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা মোকাবিলায় ভারতের ১ লাখ কোটি ডলারের রিজার্ভ প্রয়োজন: দেবব্রত পাত্র

আপডেট সময় : ১১:০৫:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বাজারের অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তা মোকাবিলায় ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ অন্তত এক লাখ কোটি ডলারে উন্নীত করার পরামর্শ দিয়েছেন দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার (আরবিআই) সাবেক ডেপুটি গভর্নর মাইকেল দেবব্রত পাত্র। তার মতে, বর্তমানের ৬৯ হাজার কোটি ডলারের রিজার্ভ দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যথেষ্ট নয়।

সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রবন্ধে তিনি উল্লেখ করেন, ভারতের সামনে দুটি বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। প্রথমত, এক বছরের মধ্যে পরিশোধযোগ্য প্রায় ৩৫ হাজার কোটি ডলারের স্বল্পমেয়াদি বৈদেশিক ঋণ। দ্বিতীয়ত, বিদেশি পোর্টফোলিও বিনিয়োগকারীরা যদি হঠাৎ করে বড় অঙ্কের অর্থ প্রত্যাহার করে নেয়, তবে তা সামাল দিতে আরও অন্তত ৬৫ হাজার কোটি ডলারের সুরক্ষা তহবিল প্রয়োজন। এই দুই খাতের ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে রিজার্ভের লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো জরুরি বলে তিনি মনে করেন।

মাইকেল পাত্র আরও সতর্ক করে বলেন, ২০২২-২৩ অর্থবছরের অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গেছে যে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা দ্রুত বাজার থেকে অর্থ সরিয়ে নিতে পারে, যা দেশের মুদ্রার ওপর চাপ সৃষ্টি করে। অধিকাংশ দেশ তাদের রিজার্ভের বড় অংশ মার্কিন ডলারে রাখলেও, ভারতের মতো উদীয়মান অর্থনীতির জন্য নিজস্ব সক্ষমতা বাড়ানো অপরিহার্য। ভবিষ্যতে বড় ধরনের আর্থিক ধাক্কা সামলাতে এখন থেকেই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন এই অর্থনীতিবিদ।